বড় ব্যবধানে সহজ জয় টাইগারদের
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট


খুব বড় লক্ষ্য দাঁড় করাতে পারেননি। তাই বোলিংয়ের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মাশরাফি। শুরুতেই বল তুলে দেন সাকিবের হাতে। অপরপ্রান্ত থেকে আক্রমণে আসেন নিজেই। দুই স্লিপ নিয়ে বল করতে থাকা মাশরাফিই এনে দেন প্রথম ব্রেকথ্রু। ৫ রানে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ফেরেন স্লিপে দাঁড়ানো সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে।

এরপরই জ্বলে উঠেন সাকিব। সপ্তম ওভারের শেষ দুই বলে তুলে নেন সুলেমান মিরে (৭) এবং ব্রেন্ডন টেইলরকে (০)। চাপে পড়া জিম্বাবুয়েকে আরও চেপে ধরেন ম্যাশ। ১১ রানে ফেরান এরভিনকে। এবারও ক্যাচ নেন সাব্বির।

এরপর দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন সিকান্দার রাজা। তবে মোস্তাফিজ আর সানজামুলের বলে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি রাজা-মুর জুটি। টানা ২৩ বল ডট দেন মোস্তাফিজ। এরইমধ্যে পরপর দুই উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন সানজামুল। এরপর হঠাৎ করেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন সিকান্দার রাজা। আগের ৪ ওভারে মাত্র একটি রান দেয়া মোস্তাফিজের পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই হাঁকান চার। দ্বিতীয় বলে দুই রান। পরের বলেই বোল্ড। মোস্তাফিজের কাটারে ইনসাইড এজ হয়ে ফিরে যাবার আগে ৫৯ বল খেলে ৩৯ রান করেন সিকান্দার রাজা। জিম্বাবুয়ের শেষ প্রতিরোধটাও ভেঙ্গে যায়। এরপর সেভাবে কেউই দাঁড়াতে পারেননি। ৩৬.৩ ওভারে ১২৫ রানেই আত্মসমর্পণ করে জিম্বাবুয়ে। ৯১ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। দুইটি করে উইকেট নেন মাশরাফি, সানজামুল এবং মোস্তাফিজুর। বাকি উইকেটটি তুলে নেন রুবেল।

এরআগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে পারেননি ওপেনার এনামুল হক বিজয়। মাত্র ১ রানে কাইল জারভিসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। এরপর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ১০৬ রানের জুটি বেধে দলকে টেনে তোলেন তামিম ইকবাল। অর্ধশত পূরণ করেই ফিরে যান সাকিব। এরপরেই বদলে যায় বাংলাদেশের চেহারা। দলীয় ১৪৭ রানের সময় মুশফিকুর রহিম আউট হবার পর আর কোন ব্যাটসম্যানই সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি। তবে শেষ দিকে সানজামুল এবং মোস্তাফিজের ব্যাটে লজ্জা এড়ায় টাইগাররা। ২১৬ রানে শেষ হয় মাশরাফি বাহিনীর ইনিংস। মোস্তাফিজ ১৮ এবং ৮ রানে অপরাজিত থাকেন রুবেল হোসেন। অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমার ৪টি এবং কাইল জার্ভিস নিয়েছেন ৩টি উইকেট।


২৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ২০:২১:৩৭