৩ কোটি টাকায় ধর্ষিতার মুখ বন্ধ করেছিলেন রোনালদো!
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
নারীসঙ্গের জন্য তিনি নাকি অনেক কিছুই করতে পারেন। এর ফলে সংসার ভেঙে গেলেও তোয়াক্কা করেন না তিনি। এবার সেই পর্তুগাল সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বিরুদ্ধেই ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠল!

২০০৯ সালে লাস ভেগাসে এক নারীকে ধর্ষণ করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ব্যয় করেছিলেন ৩ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা!

মাঠের বাইরে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর একটা পরিচয় আছে। প্লেবয় হিসেবে! সম্পর্কে জড়িয়েছেন বহু নারীর সঙ্গে। পর্তুগালের তারকা ফুটবলারের যে সন্তান আছে তার মায়ের পরিচয়টাও অজানা। চার বারের ব্যালন ডি অর জয়ী রোনালদো টাকা দিয়ে তার ছেলের মায়ের পরিচয় গোপন রেখেছেন। তবে এবারের ৩২ বছর বয়সী তারকার বিপক্ষে যে অভিযোগ উঠেছে তা ভয়াবহ। ধর্ষণের অভিযোগ! আর সেই ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিপক্ষে! জার্মানির ম্যাগাজিন ডার স্পিজেল জানিয়েছে, ২০০৯ সালে রোনালদো লাস ভেগাসে ধর্ষণ করেছিলেন এক নারীকে।

সেই ধর্ষিতা নারীর মুখ বন্ধ করতে পরবর্তীতে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ডলার বা ৩ কোটি টাকা দিয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে রোনালদো একে সাংবাদিকতার বানোয়াট গল্প হিসেবে দেখছেন। জার্মান পত্রিকাটি জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছিল রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেয়ার কিছুদিন পরেই। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ধর্ষিতা নারী রোনালদোর সঙ্গে একটি সমঝোতায় আসেন। ৩ কোটি টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেন যে, গোপন রাখবেন ধর্ষণের বিষয়টি। সেটা কখনো জনসমক্ষে আনবেন না। তবে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে নিজমুখে কিছু বলেননি চারবারের ফিফা বিশ্বসেরা ফুটবলার রোনালদো।

তার এজেন্ট হোর্হে মেন্দেস রোনালদোর পক্ষে বিবৃতি দিয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।   জানিয়েছেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো এই ভিত্তিহীন অভিযোগের বিপক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। মেন্দেস আরো জানান, অভিযোগকারী নারী ঘটনাটির সত্যতা প্রমাণ করতে সামনে আসতে অস্বীকার করেছেন। এর আগে ২০০৫ সালে লন্ডনে দুই নারীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছিল পর্তুগিজ তারকার বিপক্ষে। তবে সেবার আদালতের রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন তিনি।

 

১৭ এপ্রিল, ২০১৭ ২৩:২৮:০৮