ডাকসুতে ছাত্রলীগের শোভন পরাজিত, নুরুল ভিপি
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) পদে নুরুল হক ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে গোলাম রাব্বানী নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপাচার্য ও ডাকসুর সভাপতি মো. আখতারুজ্জামান এই ফলাফল ঘোষণা করেন। নুরুল হক কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ থেকে নির্বাচন করেন। অন্যদিকে জিএস পদে নির্বাচিত গোলাম রাব্বানী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। নুরুল হক ১১০৬২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। তিনি পেয়েছেন ৯১২৯ ভোট। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী পেয়েছেন ১০৪৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা মো. রাশেদ খাঁন। তিনি পেয়েছেন ৬০৬৩ ভোট।

এছাড়া সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। তিনি পেয়েছেন ১৫৩০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ফারুক হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮৯৬ ভোট।

এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে সাদ বিন কাদের চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে আরিফ ইবনে আলী, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে লিপি আক্তার, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে শাহরিমা তানজিম অর্নি, সাহিত্য সম্পাদক পদে মাজহারুল কবির শয়ন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে আসিফ তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক পদে শাকিল আহমেদ তানভীর, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে শামস-ঈ-নোমান ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে আখতার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।

১৩টি সদস্য পদে বিজয়ীরা হলেন- যোশীয় সাংমা চিবল (১২৫৬৮), মো. রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য (১১২৩২), তানভীর হাসান সৈকত (১০৮০৫), তিলোত্তমা সিকদার (১০৪৬৬), নিপু ইসলাম তন্বী (১০৩৯৩), রাইসা নাসের (৯৭৬৮), সাবরিনা ইতি (৯৪৫০), মো. রাকিবুল হাসান রাকিব (৮৬৭৩), নজরুল ইসলাম (৮৫০৯), মোছা. ফরিদা পারভীন (৮৪৮৯), মুহা. মাহমুদুল হাসান (৭৯৭৮), মো. সাইফুল ইসলাম রাসেল (৭৮১২) ও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সবুজ (৫৫১৭)।

নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৪ এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ১৩ জন। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন। এর বাইরে ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

১২ মার্চ, ২০১৯ ০৮:৪০:২৭