ফেসবুকে প্রশ্নপত্র বিক্রির হাট!
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট


এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রশ্নফাঁসের উদ্দেশে খোলা হয়েছে নানা গ্রুপ। সেসব গ্রুপে যুক্ত করা হয় দেশের বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের। যা শিক্ষার্থীদের বিপথগামী করছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের অসাধু তৎপরতা ঠেকাতে সরকারের নেয়া সব পদক্ষেপ ব্যর্থ হয়ে যাবে, যদি প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস বন্ধ করা না যায়।

‘আমি কালকে রিয়েল বোর্ড কপি দিয়েছি আজকেও রিয়েল কপিটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। কালকে থেকেই প্রশ্নফাঁস শুরু হয়েছে এর আগে প্রশ্ন ফাঁস হয়নি’। অকপটে এই কথাগুলো বলছিলেন ফেসবুকে প্রশ্নফাঁস গ্রুপের এক এডমিন। নিজেই স্বীকারোক্তি দিলেন গত পাঁচ বছর ধরে প্রশ্নফাঁসে যুক্ত থাকার কথা।

প্রশ্নফাঁসের একটি গ্রুপে প্রতিটি প্রশ্ন বিক্রি হয় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। অগ্রিম ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা দিলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্রুপে অ্যাড করে নেয়া হয়।  প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষার আগে টাকার মাধ্যমেই এখানে যুক্ত হয় বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার আগের রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কয়েক ধাপে গ্রুপে মিলছে প্রশ্নপত্র।

যে কোনো পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন ফাঁসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটস আপ, ভাইবারে সরব হয়ে ওঠে প্রশ্নফাঁস অসাধু চক্রের বিভিন্ন গ্রুপ। যেখানে চলে পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে বাণিজ্য, আর এতে বছরের পর বছর বলি হচ্ছে মেধা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, অনেকে আমাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তার অপচেষ্টা চলছে।  অভিভাবকরা বলেন, এটা সমাজের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর, ইতিমধ্যে প্রশ্নফাঁস ভয়াবহ হয়ে গেছে সমাজের জন্য।   তবে, সরকার কঠোর তদারকি করলে প্রশ্নফাঁসের এ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করছেন এক অপরাধ বিশেষজ্ঞ।

তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যদি ইচ্ছা থাকে, প্রশ্নপত্র কোনোভাবে ফাঁস করতে দেবো না, তাহলে প্রশ্নফাঁস বন্ধ করা সম্ভব।  সারা দেশে এবার মোট এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। সূত্র: সময় টিভ





 


২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৪৯:৩৬