সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সরকার আন্তরিক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আজকেও বলেছেন, সাত বছর আগে খুন হওয়া সাংবাদিক দম্পতি ‘সাগর-রুনি” হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সরকার আন্তরিক। এই দীর্ঘ সময়েও এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় তিনি নিজেও বিব্রত বোধ করেন বলে স্বীকার করেছেন। সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে  সোমবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে গেলে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত এ বিষয়ে খোঁজখবর রাখছি। আশা রাখি দ্রুতই এর একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারবো। খুনিরা দ্রুত ধরা পড়বে।’

এ সময়  সাংবাদিক নেতারা দাবী করেন,  আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে এবং প্রকৃত খুনিদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি যে তারিখ নির্ধারিত রয়েছে সেই তারিখেই যেন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়। আর যেন সময় নষ্ট করা না হয় সেজন্য মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।   

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ‘যে কোনও হত্যার বিচার পাওয়া নাগরিকের অধিকার। আর সেই অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বড় বড় হত্যা রহস্য উন্মোচন ও অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করেছে। সাগর-রুনি হত্যার কোনও কূল কিনারা তারা করতে পারবে না এটা আমরা বিশ্বাস করি না। কোন অদৃশ্য শক্তি বা বাধার কারণে এই হত্যার তদন্তের নামে বছরের পর বছর কালক্ষেপণ করা হচ্ছে সেটাই এখন বড় রহস্য।’

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি নিজ বাসায় খুন হন। পরে রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবার জন্য গত সাত বছরে আদালতের ধার্য করা তারিখ ৬২টি বার  পেছানো হলেও  মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি। গত  ৯ জানুয়ারি মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। এদিনও  মামলার তদন্তকারী  সংস্থা  র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) আদালতে  প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায়  ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি পুনরায়  সময় বেধে দেন।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০৬:৪৫:৫৩