বন্ধুকে মেরে রক্তপান করেছেন ২০ বছর আগে, এবার ধরা খেলেন ভুয়া চিকিৎসক
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
স্কুলে পড়াশোনার সময় এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন তিনি। সহপাঠীকে হত্যার পর তার রক্ত খেয়েছিলেন। সেই ঘটনার পর তাকে পাঠানো হয়েছিল মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। প্রায় এক দশক সেখানে কাটিয়ে ফেরার পর এবার ধরা পড়েছেন নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার অভিযোগে। ঘটনাটি ঘটেছে রাশিয়ার চেলিয়াবিনক্সের ইউরাল্‌স শহরে। পুলিশ বলছে, আটক ওই ব্যক্তির নাম বরিস কোন্দ্রাশিন। ৩৬ বছর বয়সী বরিস চিকিৎসক হিসেবে ভুয়া নথিপত্র দেখিয়ে গত বছরের নভেম্বর থেকে কাজ করছিলেন একটি হাসপাতালে। জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে কিশোর বয়সে বরিস তার স্কুলের ১৬ বছর বয়সী সহপাঠীকে হত্যা করেন। তার পর একটি ধর্মীয় প্রথা মেনে স্কুলের সেই বন্ধুর রক্ত খেয়েছিলেন তিনি।

বরিস নাকি নিজেকে ‘ভ্যাম্পায়ার’ মনে করেন। ২০০০ সালের অাগস্টে জানা যায়, বরিস ভুগছেন বিশেষ ধরনের একটি মানসিক রোগে। যার নাম- ‘হোমিসাইডাল স্কিজোফ্রেনিয়া’। বরিসের কাণ্ডকে  আদালত ‘বিশেষ গুরুতর অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তাকে বাধ্যতামূলক মানসিক চিকিৎসা করানোর নির্দেশ দেয়। সে অনুসারে বরিসকে ভর্তি করানো হয় একটি মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। ১০ বছর সেখানে কাটানোর পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। -াননদবাজার পত্রিকা

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:৫৯:২৫