পরীক্ষামূলক উৎপাদন শেষ
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে প্রতিদিন ২ হাজার মে.টন কয়লা উঠছে
আতাউর রহমান, পার্বতীপুর (দিনাজপুর)
অ+ অ-প্রিন্ট


দুই দিন পরীক্ষা মূলক উৎপাদন শেষে গত ১০ সেপ্টেম্বর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি  থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর এ দুদিনে পরীক্ষামূলক ভাবে উৎপাদন হয়েছে  ৪ হাজার ১৫ মে. টন কয়লা। এর মধ্যে ৯ সেপ্টেম্বর ২ হাজার ১২৬ মে. টন ও ১০ সেপ্টেম্বর ১ হাজার ৮৮৯ মে. টন কয়লা উত্তোলন করা হয়। বর্তমানে খনির ১৩১৪ নং খনি মুখ থেকে বাণিজ্যিকভাবে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার মে. টন কয়লা তোলা হচ্ছে।

বড়পুকুরিয়া খনির মহা ব্যবস্থাপক (খনিজ) সাইফুল ইসলাম সরকার জানান, প্রায় ৩ মাস বন্ধ থাকার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে পরীক্ষামূলভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়। এ ভাবে দুই দিন তোলার পর বর্তমানে বানিজ্যিকভাবে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার মে. টন কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। এ পর্যায়ে সব মিলিয়ে ১৫ কর্মদিবস কয়লা উত্তোলন শেষে ২ থেকে ৩ দিন কয়লা তোলা বন্ধ রাখা হবে। ওই সময় খনির উৎপাদনশীল ১৩১৪ নং খনির মুখ আরো সম্প্রসারিত করে পুনরায় সেখান থেকে পূণমাত্রায় বানিজ্যিকভাবে প্রতিদিন ২ হাজার ৫শত থেকে ২ হাজার ৭ শ মে. টন এবং চুড়ান্ত পর্যায়ে ৩ হাজার মে. টন কয়লা তোলা সম্ভব হবে।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুর রহমান বলেন,  বর্তমানে ভূগর্ভের ৪ শত ৬০ মিটার গভীরে অবস্থিত ১৩১৪ নং খনি মুখ থেকে কয়লা তোলা হচ্ছে। এখানে ভূ গর্ভস্থ চাপ, বাতাসের আদ্রতা ও তাপমাত্রা অন্যান্য খনি মুখের তুলনায় অনেক বেশী হওয়ায় খনি মুখটি বেশ ঝূঁকিপূণ। সে জন্য অনেক সর্তকতার সাথে কয়লা তুলতে হচ্ছে। একই কারনে এখান থেকে কয়লা উত্তোলনের গতিও অনেক শ্লথ। যে কারনে এ খনি মুখ থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার মেঃ টনের বেশী কয়লা তোলা কোন ভাবে সম্ভব হবে না। যদিও এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় “স্লাইস” থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪ হাজার ৫ শত থেকে  ৫ হাজার মেঃ টন কয়লা তোলা সম্ভব হয়েছিল।

 


১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২০:৪০:৩৩