শনিবার ঢাকায় বড় শোডাউনের প্রস্তুতি বিএনপির
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
আগামী ১ সেপ্টেম্বর দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে নয়াপল্টনে জনসভা করার পুলিশের মৌখিক অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের দিন থেকে আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। তার আগে এ জনসভার অনুমতিকে রাজনীতির মাঠে অনুশীলন হিসেবে কাজে লাগাতে চাইছে। সে লক্ষ্যে বড় ধরনের শোডাউনের চিন্তা করছে দলটি। জনসভাকে সামনে রেখে শোডাউনের সেই প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে বলে দলটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জানান। খবর আমাদের সময়'র।

গতকাল বুধবার বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে নয়াপল্টনে জনসভা করার পুলিশের মৌখিক অনুমতি পাওয়া গেছে।

এর আগে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে যান। প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ। প্রতিনিধি দলটি ফিরে আসার পর এ সংবাদ সম্মেলন হয়। সেখানে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের দলের একটি প্রতিনিধি দল মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে আলাপ করেছে। কথাবার্তার পর পুলিশ কমিশনার ১ সেপ্টেম্বর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জনসভার মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন। ওইদিন বেলা ২টায় জনসভা শুরু হবে।

বিএনপির নেতারা জানান, অনুমতি পাওয়ার পর জনসভা সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছেন। এই দিন মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ আশপাশের জেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীদের ঢাকায় জমায়েত করে বিশাল একটি শোডাউনের টার্গেট রয়েছে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, পুলিশের অনুমতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন বেলা ১১টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় এক ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহসভাপতি মীর হোসেন মীরু প্রমুখ। গত মঙ্গলবার নয়াপল্টনের কার্যালয়ে দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে যৌথসভায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দুদিনের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। ওইদিন ভোরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হবে। পরদিন বিকাল ৩টায় রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রাখা হয়েছে আলোচনাসভা।

 

৩০ আগস্ট, ২০১৮ ১০:১৪:৩০