কে এই লেডি ডন! যার নামে কাঁপে এলাকা!
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
বয়স বছর কুড়ি। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়েছেন কি না কেউ জানেন না। তবে তাঁকে একনামে সবাই চেনেন। অবশ্য শুধু চেনেন বললে ভুল হবে, এলাকা কাঁপে তাঁর নামে। কারণ তিনি সুরাতের লেডি ডন অস্মিতা গোহিল।

পুলিশের খাতায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার নামে। কয়েকবার গ্রেফতারও হয়েছেন অস্মিতা। কিন্তু পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে যান। সম্প্রতি এই ‘লেডি ডন’ ফের শিরোনামে। সোমবার সকালে ভারতের গুজরাট রাজ্যের সুরাতের একটি পানের দোকানে তলোয়ার নিয়ে ঢুকে ৫০০ টাকা ‘চাঁদা’ চাওয়ার অভিযোগে ফের গ্রেফতার হন অস্মিতা ও তার বন্ধু রাহুল। একদিনের মধ্যেই ছাড়া পেয়ে যায়। ফের শুক্রবার চুরির ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। তরোবারি হাতে তার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরেই অস্মিতা গ্রেফতার করা হয়। সংক্ষিপ্ত খবর উদ্বোধনের আগেই ইস্টার্ন পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়েতে বাইকারদের স্টান্ট! স্মার্ট হাইওয়ে কী নিরাপদ রাত পোহালেই ভোট, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে মহেশতলায় রুটমার্চ কেন্দ্রীয় বাহিনীর 'কিপ্যাড জিহাদি'দের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করলো কাশ্মীর পুলিশ, বিস্তারিত জানুন ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মোটরবাইকে সওয়ার বছর ২০-র অস্মিতা। সঙ্গে এক সময়ের শত্রু বর্তমানে মিত্র রাহুল ওরফে গোডো। সুরাতের ভরসা সোসাইটির পণ্ডিত পান সেন্টারে হুলুস্থূল বাধিয়ে দেয়। পানের দোকানের মালিক বছর ২৭-এর বিমলেশ নামদেবকে তরোবারি উচিয়ে হুমকি দেয়। পরে ৫০০ টাকা আদায় করে চম্পট দেয়। অভিযোগ, ২৩ মে অন্য সহযোগী অল্পেশ ওরফে কালিয়োকে সঙ্গে নিয়ে সবজি বিক্রেতার ছেলে মহেশ কানজারিয়ার কাছে গিয়ে বন্দুক দেখিয়ে বাইক নিয়ে পালিয়ে যায়। অস্মিতাকে গ্রেফতারের পর তার অন্য সহযোগীদের সন্ধানে পুলিশ। মার্চে দোলের দিন চপার জাতীয় ধারাল অস্ত্র হাতে কয়েকজনের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ায় অস্মিতা। সঙ্গে অন্যতম সহযোগী সঞ্জয় গোহিল। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেই সময় দুজনকেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে দুজনেই জামিন পেয়ে যায়।

এদিকে অস্মিতা তার এই দস্যুপনার রাখ ঢাক রাখছেন না। ফেসবুকে শেয়ার করছেন তলোয়ার ও রিভলভার হাতে তোলা ছবি। আর এভাবে 'লেডি ডন' অস্মিতাকে দেখে বিস্মিত অনেকেই।

২৮ মে, ২০১৮ ১০:০৪:১৯