যেভাবে তারেক রহমানকে দেশে ফেরত আনা সম্ভব
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট


প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর নতুন আলোচনায় উঠে এসেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ব্রিটেন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি। ব্রিটেনের বিশেষজ্ঞ আইনজীবীরা বলছেন, তাকে ফেরত নিতে হলে প্রথমেই দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। এরপর ব্রিটেনের আদালতে তাকে ফেরত নেয়াটা যুক্তিযুক্ত প্রমাণ করতে হবে। খবর সময় টিভি অনলাইন'র।

২০০৭ সালে দুর্নীতির মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গ্রেফতার করে তৎকালীন সরকার। এক বছর পর ২০০৮ সালে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে আসেন তিনি। তারপর থেকে সেখানেই পুরো পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন বিএনপির এই নেতা, চালিয়ে যাচ্ছেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বেশ জোরালো অবস্থানে বর্তমান সরকার। মঙ্গলবার লন্ডনে এক সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাকে অবশ্যই দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

এ অবস্থায় তাকে ফেরত নিতে হলে প্রথমেই যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি-বিনিময় চুক্তি সম্পাদন করতে হবে বলে জানান এই আইনজীবী।  লিংকনস সলিসিটরজের প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ বলেন, ব্রিটেনের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই। সেই হিসেবে বাংলাদেশ থেকে কাউকে নিতে হলে ওই চুক্তি করতে হবে। কূটনৈতিক চ্যানেলে কথা বলে তা ঠিক করতে হবে। আরেক আইনজীবীর মতে,বন্দি-বিনিময় চুক্তি সম্পাদনের পর রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা তারেক রহমানকে দেশে ফেরত নেয়াটা ব্রিটেনের আদালতে যুক্তিযুক্ত প্রমাণ করতে হবে।

হোসাইল ল এসোসিয়েটসের প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসাইন বলেন, তারেক জিয়া শরণার্থী হিসেবে আছেন। এটা দীর্ঘমিয়াদী বিষয়। প্রথমত ব্রিটিশ সরকারকে চাইতে হবে। তাহলে আদালত পর্যায়ে যাওয়ার প্রশ্ন আসে। যাকে শরণার্থী হিসেবে বলা হলো থাকার অধিকার দেয়া হলো। তাকে আমি পাঠাবো কিনা সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ।

২০১৫ সালে তারেক রহমানকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ থেকে একটি চিঠি দেয়া হলেও যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো জবাব দেয়া হয়নি। এছাড়াও ওই বছরই তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোল একটি রেড নোটিশ জারি করে।পরে তা প্রত্যাহার করে নেয় ইন্টারপোল।

 


১৯ এপ্রিল, ২০১৮ ১৯:৪৯:২৫