'বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার বদলে জেলখানায় যেতে হয়েছে'
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান পুণর্ব্যক্ত করে ছেলেমেয়েদের এসব অপশক্তির বিষয়ে সচেতন করতে অভিভাবক, শিক্ষক এবং ধর্মীয় নেতাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা প্রত্যেকে আমাদের শিশু থেকে যুবক শ্রেনী কোথায় যায়, কি করে, কার সঙ্গে মেশে সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেবেন। যেন কেউ সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদকাশক্তির সাথে সম্পৃক্ত হতে না পারে। তারা যেন সুস্থ জীবন পায়। আর বাবা-মা, ভাইবোনকে নিয়ে সুখে শান্তিতে কাটাতে পারে তারই পদক্ষেপ নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোন ছেলে-মেয়ে যেন বিপথে না যায় সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য আমি সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাই।’

শেখ হাসিনা আজ দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার ৯৯তম জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আযোজিত শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে একথা বলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমী এবং গোপালগজ্ঞ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জাতির পিতার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় তিনি বলেন, ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার বদলে তাকে দেখতে জেলখানায় যেতে হয়েছে। কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ও বাবার সঙ্গে জেলে দেখা করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে ধাপে ধাপে এ (বাঙালি) জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। এই কাজ করতে গিয়ে জীবনে অনেক বছর তিনি কারাগারে কাটিয়েছেন। বারবার মৃত্যুর মুখে দাঁড়াতে হয়েছে তাকে। তিনি অদম্য সাহসী, নীতি ও লক্ষ্যে স্থির থেকে এগিয়ে গেছেন।’

দাদীর কাছে শোনা বাবার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মানুষকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন বঙ্গবন্ধু। বালক বয়স থেকেই তিনি মানুষের উপকারে বিভিন্ন কাজ করতেন। নিজের জামা, খাবার ও অন্যান্য ব্যবহারের জিনিস অভাবী মানুষকে বিলিয়ে দিতেন। দুর্ভিক্ষের সময় বঙ্গবন্ধু তার বাবার গোলা থেকে ধান বিলিয়ে দিয়েছিলেন।’

১৭ মার্চ, ২০১৮ ২৩:৫৮:৪৯