নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় ১৭ বাংলাদেশির মরদেহ শনাক্ত
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট
নেপালের কাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস–বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ১৭ জনের মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পাঁচ দিন পর ফরেনসিক পরীক্ষা শেষে উপস্থিত নিকটাত্মীয়দের সামনে এসব মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শনিবার সন্ধ্যায় নেপালের ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি টিচিং হাসপাতালের ইন্সটিটিউট অব মেডিসিন-এর সামনে ফরেনসিক বিভাগের পক্ষ থেকে মরদেহগুলোর নাম প্রকাশ করেন হাসপাতালটির ফরেনসিক বিভাগের প্রধান প্রমোদ শ্রেষ্ঠা। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি মেডিক্যাল টিম এর সদস্য ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এর ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় মোট ২৫টি মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এদের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি, ১০ জন নেপালি ও একজন চীনা নাগরিক। নেপালি ও চীনা নাগরিকের মরদেহ স্বজনদের দেখানোর পর বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানানো হয়। বাংলাদেশিদের মরদেহের তালিকা পরে শোনান ডা. সোহেল মাহমুদ।

শনাক্ত হওয়া নিহত ১৭ বাংলাদেশিরা হচ্ছেন: পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ এবং কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মো. শফি রয়েছেন। যাত্রীদের মধ্যে ফয়সাল আহমেদ, বিলকিস আরা, মোসাম্মৎ আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, সানজিদা হক, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, শিশু তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভীন শশী রেজা, শিশু অনিরুদ্ধ জামান, মো. নুরুজ্জামান ও মো. রফিকুজ জামান

শনাক্ত হওয়া মরদেহের তালিকায় রফিকুজ্জামান ও তার ছেলে অনিরুদ্ধের নাম থাকলেও তার স্ত্রী সানজিদা হকের নাম নেই। একইভাবে পাওয়া যায়নি বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক আহমেদ ফয়সালের নামও। এর আগে শনিবার মরদেহের তালিকা দেয়া হবে শুনে সারাদিন হাসপাতালের সামনে ভিড় করেন অপেক্ষমাণ স্বজনরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সময় তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, মর্মান্তিক ওই বিমান দুর্ঘটনায় আহত কবির হোসেন ও শাহীন ব্যাপারী দেশে আসছেন রোববার। ঢামেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তাদের জন্যও সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান তিনি।

১৭ মার্চ, ২০১৮ ২৩:৪০:০০