জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি ২৩ জানুয়ারি
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট


জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। এসব দিনে আসামি সরফুদ্দিন আহমেদ ও কাজী সালিমুল হকের পক্ষে চলমান যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ। বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় এ দুই আসামি আদালতে উপস্থিত হলে দুপুরে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন। টানা সোয়া ১ ঘণ্টা শুনানির পর দুপুর দেড়টায় আধাঘণ্টার বিরতি দেন আদালত। আসামিপক্ষের আইনজীবী পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করে বিকেল ৩টায় শেষ করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে পৌঁছান খালেদা জিয়া।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

এছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটি এর সাবেক নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।













 


১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৮:৫৬:৩৯