বইমেলাকে ঘিরে ব্যস্ত লেখক-প্রকাশক-প্রচ্ছদ শিল্পীরা
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট
ফাইল ছবি
১ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে প্রাণের মেলা। আর এ মেলাকে ঘিরে বই ছাপাখানায় বিরাজ করছে রবরব পরিবেশ। বই ছাপা সংক্রান্ত নানা কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা। মাসব্যাপী বইমেলা হয়ে উঠবে পাঠক-লেখকদের মিলন মেলা। সেখানে হাজারো পাঠকের হাতে দিতে হবে প্রিয় বই। মহাযজ্ঞ সেই আয়োজনের প্রস্তুতিতেই যেনো ঘুম হারাম ছাপাখানার হাজারো কারিগরের। ফুরসত নেই প্রকাশক, প্রচ্ছদশিল্পীদেরও। বইকে দৃষ্টিনন্দন ও অনিন্দ্য সুন্দর করে তুলতে তারাও দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।

ভাবনার হাওয়ায় দোলা লাগলে, সাদা খাতা ভরে যায় কালো অক্ষরে। নব আনন্দে সৃষ্টি হয় সাহিত্য। লেখক মাত্রই চাওয়া প্রকাশিত হোক তার সৃষ্টিকর্ম। তবে, এই প্রত্যাশা আরো প্রবল হয়, যখন দুয়ারে কড়া নাড়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। তাইতো, প্রতিবারের মত এবারো লেখকদের ব্যস্ততার কমতি নেই এতটুকু।

লেখক পিয়াস মজিদ বলেন, ‘অমর একুলে গন্থমেলার প্রকাশকাল- সেটার কিন্তু আলাদা একটা তাৎপর্য আছে। অমর একুশের বিষয়টি তো আমাদেরই রক্তে অর্জিত। আমি আনন্দের সঙ্গেই এই কাজগুলো করি। বেশ কয়েকটি বই এবার বেরোবে।’

বাংলাবাজার, বইয়ের দুনিয়া। এখানেই ছাপা, পৃষ্ঠাসজ্জা, বাঁধাইসহ নানা ধাপ পেরিয়ে পান্ডুলিপি হয়ে উঠছে বই। যাদের তত্ত্বাবধানে এটি হচ্ছে তাদের ব্যস্ততা এখন বহুগুণ থাকবে এটা অনুমেয়। তবে এই ব্যস্ততার মাঝেও তাদের প্রত্যাশা মেলার শুরু আগেই সকল কাজ শেষ করতে পারবেন তারা।

সময় প্রকাশনের ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘সম্পদনার শেস পর্যায়ের কাজ না, এখন কাজ প্রায় সবই চলে গেছে প্রেসে। এখন প্রেসের খুব ব্যস্ততা চলছে, বাঁধাইখানার খুব ব্যস্ততা চলছে। ফর্মা ছাপা, বইয়ের ভেতরটা ছাপা, প্রচ্ছদ ছাপা এবং এগুলো লেমিনেশন করা এবং বাঁধাই করা- এই কাজটাই এখন চলছে।’ 

লেখনির ব্যাপকতম সারাংশই প্রচ্ছদ। যা বই এ আনে পূর্ণতা, দেয় সৌন্দর্য। বইয়ের প্রচ্ছদ এখন নিজেই এক শিল্প। তাইতো, প্রচ্ছদ শিল্পীরাও এখন নানা ব্যস্ততায়।

শিল্পী ধ্রুব এষ বলেন, ‘আমি তো আসলে প্রফেশনাল ডিজাইনার। সারা বছরই ব্যস্ততা থাকে। বইমেলার সময় চাপটা আরেকটু বাড়ে। এর বেশি কিছু না। এটা আমার জন্য খুবই স্বাভাবিক।’

বই মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমী। মেলার সুষ্ঠু আয়োজনের লক্ষে একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। 

 

 

 

 

 

 

১২ জানুয়ারি, ২০১৮ ১২:১৮:৩৬