বিএনপির হৃদয়ে ছিলো ‘পেয়ারে পাকিস্তান’ : প্রধানমন্ত্রী
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট


জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র মানে যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন। সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করে স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়া হয়। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির শাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৪৬ বছর আসাদের স্বাধীনতা, এরমধ্যে ২৮ বছর যারা ক্ষমতায় ছিলো, তারা কেন দেশের উন্নতি করতে পারে নাই?  কারণ তাদের হৃদয়ে ছিলো পেয়ারে পাকিস্তান। ওই পাকিস্তানের প্রভূত্ব তারা ভুলতে পারে নাই। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করবো। ২০৪১ সালের মধ্যে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষের আন্দোলন ও বিদেশি চাপের কারণে পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। বঙ্গবন্ধু ফিরে আসার পর বাংলার স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়।

তিনি বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সদস্যদের দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ৯ বছরে দেশের যে উন্নয়ন করেছি অন্যরা ২৮ বছরেও সেভাবে দেশের উন্নয়ন করতে পারেনি কেন। দেশকে তারা এখনো মনে প্রাণে বিশ্বাস করে না। এজন্য তারা দেশের উন্নয়নে কাজ করে না।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিল। কিন্তু ৭৫’র ১৫ আগস্টে মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রের কবর রচিত হয়েছে। জাতির পিতা নেই কিন্তু তার আদর্শ আছে। তার আদর্শ বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতা এলে দেশের উন্নয়ন হয়। মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে যারা তারা দেশের মানুষের মঙ্গল করতে পারে না।


১০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৯:৪১:৩০