ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অশ্লীল ইঙ্গিত, চাকরি গেল এই মার্কিন মহিলার
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট


সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এখন সবকিছুই প্রকাশিত। বিজ্ঞাপিত। ফেসবুক বা টুইটারে বদলে যাওয়া স্টেটাস, ছবি, কিংবা ভিডিও জানিয়ে দেয়, আপনি কী করছেন?  কেমন আছেন?  কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ার নিজের কীর্তি ফলাও করে প্রচার করতে গিয়েই বিপাকে পড়লেন এক মার্কিন মহিলা। চাকরি খোয়ালেন ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা জুলি ব্রিকম্যান। কারণ খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কনভয় দিকে আঙুল দেখিয়ে তিনি যে অশ্লীল ইঙ্গিত করেছেন! আর সেই ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। সেই ছবিটি আবার নিজের ফেসবুক ও টুইটার অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল পিকচার করেছেন বছর পঞ্চান্নের ওই মহিলা। তাতেই এই পরিণতি।

আমেরিকার ভার্জিনিয়ার স্টারলিং এলাকার বাসিন্দা জুলি ব্রিকম্যান। তিনি ডেমোক্র্যাট পার্টির সমর্থক। একটি সরকারি ঠিকাদার সংস্থায় চাকরি করতেন জুলি। জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে সাইকেলে চেপে ঘুরতে বেড়িয়েছিলেন তিনি। সেইসময় স্থানীয় একটি গল্ফ কোর্স থেকে হোয়াইট হাউসে ফিরছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের কনভয় পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ে, সাইকেল চালাতেই চালাতেই কনভয়ের দিকে আঙুল দেখিয়ে অশ্লীল ইঙ্গিত করেন জুলি। প্রেসিডেন্টের কনভয়ে ছিলেন হোয়াইট হাউসের এক ফোটোগ্রাফার। ঘটনার ছবি ক্যামেরাবন্দি করেন তিনি। ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হতে সময় লাগেনি। বিশ্বের বহু সংবাদমাধ্যমে ছবিটি প্রকাশিতও হয়। অভিযোগ, প্রেসিডেন্টের কনভয়ের দিকে অশ্লীল ইঙ্গিত করায় ছবিটি ফেসবুক ও টুইটার অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ব্যবহারও করেন জুলি ব্রিকম্যান। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। জুলিকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে আমেরিকার সরকারি ওই ঠিকাদার সংস্থাটি।

জুলি ব্রিকম্যান জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তের ছুটি কাটিয়ে সোমবার কাজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, ততক্ষণে ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তাই নিজেই গোটা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। পরের দিন জুলিকে ডেকে পাঠান তাঁর বস এবং জানিয়ে দেওয়া হয় প্রেসিডেন্টের কনভয়ের দিকে অশ্লীল ইঙ্গিত করার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ব্যবহার করেছেন তিনি। যা সংস্থার সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত নীতির পরিপন্থী। তাই জুলি ব্রিকম্যানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল। জানা গিয়েছে, মাত্র মাস ছয়েক আগে আমেরিকার ওই সরকারি ঠিকাদার সংস্থার কাজে যোগ দিয়েছিলেন জুলি। তিনি কর্তৃপক্ষকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, ঘটনার সময়ে তিনি কর্তব্যরত ছিলেন না এবং জুলির সোশ্যাল মিডিয়ার পেজে কোথাও তিনি চাকরি করেন, সেটা উল্লেখ করা নেই। জুলির দাবি, তাঁর কোনও কথাই শুনতে রাজি ছিলেন না সংস্থার পদস্থ আধিকারিকরা। -সংবাদ প্রতিদিন

 


০৭ নভেম্বর, ২০১৭ ২০:০১:৩৪