এমপি লিটন হত্যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাসহ ৭ জন রিমান্ডে
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
অ+ অ-প্রিন্ট
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহসান হাবীব মাসুদসহ সাতজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার সকালে গাইবান্ধার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মইনুল হাসান ইউসুফ তাদের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডে নেয়া অন্যরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের রামভদ্র কদমতলা গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে জামায়াতের অর্থ যোগানদাতা হাজী মো. ফরিদ মিয়া (৭৫), রামভদ্র খানাবাড়ী গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে জামায়াত কর্মী হজরত আলী (৪৪), পূর্ব শিবরাম গ্রামের সাবু খন্দকারের ছেলে নবিনুর খন্দকার (৪৫), রামজীবন ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে জামায়াত কর্মী সামিউল ইসলাম(২৯), শান্তিরাম ইউনিয়নের খামারপাঁচগাছী গ্রামের একরামুল হকের ছেলে হাদিসুর রহমান (৩০) এবং বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর হাতিবান্দা গ্রামের রোস্তম আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান (৩২)।

লিটন হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা আছে কি না সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) আবু মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান।

এমপি লিটনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আবদুল হালিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হন এমপি লিটন। এরপর তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে মারা যান তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুই মোটরসাইকেলে করে পাঁচ দুর্বৃত্ত সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের নিজ বাড়িতে গিয়ে তাকে গুলি করে পালিয়ে যান।

০৮ জানুয়ারি, ২০১৭ ১৯:১৭:৫৮