লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম
অ+ অ-প্রিন্ট
লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আয়োজনে শিশু-কিশোরদের মিলনমেলায় মঙ্গলবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে। পূর্ব লন্ডনের ইমপ্রেশন ইভেন্ট সেন্টারে চার থেকে চৌদ্দ বছর বয়সী বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি-ব্রিটিশ শিশু কিশোর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু ও ব্রিটেন‘ শীর্ষক চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। 

বড়দের পাশাপাশি শিশুরাও বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম ও আদর্শ সম্পর্কে তাদের ধারণা এবং অনুভূতি উপস্থান করে। যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা এই শিশুরা বলে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরি হিসেবে তারা গর্বিত। এ সময় হলভর্তি শ্রোতা-দর্শক করতালির মাধ্যমে শিশু কিশোরদের অভিবাদন জানান।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম ও আদর্শে অনুপ্রাণিত করার জন্যেই বাংলাদেশ হাইকমিশনের এই আয়োজন। তিনি শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর ধর্ম-বর্ণ ও জাতিভেদে মানুষের জন্য অপার ভালোবাসা, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অসীম সাহসী অবস্থান এবং দেশের জন্য সীমাহীন ত্যাগের আদর্শ অনুসরণের আহবান জানান।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ও যুক্তরাজ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সুলতান মাহমুদ শরীফ বক্তব্য রাখেন। তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে শিশু-কিশোরদের কল্যাণে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহবান জানান।

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে হাইকমিশনার লন্ডন মিশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে একদল শিশু কিশোর গান ও নাচের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন বিমূর্ত করে তোলে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিশু কিশোর ও আগত অতিথিদের নিয়ে কেক কাটেন এবং চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করেন হাইকমিশনার। পরে শিশু কিশোর, তাদের অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

 

২০ মার্চ, ২০১৯ ০৬:৩৫:৪৫