অবিশ্বাস্য! ৩০ জনকে গিলে খেয়েছে নরখাদক দম্পতি
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
রাশিয়ায় নরখাদক দম্পতির খোঁজ মিলেছে নরখাদক দম্পতির। কুসংস্কারে নরবলি দেওয়ার ঘটনা অনেকবার খবরের পাতায় উঠে এসেছে। কিন্তু ক্রমোন্নত প্রযুক্তির যুগে দাঁড়িয়ে প্রাগৈতিহাসিক জীব সুলভ মানব আচরণের ঘটনা নজিরবিহীন। দম্পতিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে ৩০ জনকে খুন করে তাঁদের মাংস গলাধঃকরণ করেছে। গত কুড়ি বছর ধরে এই কাণ্ডই ঘটিয়েছে তারা।

পুলিশ ক্রাসনোদার শহরের দম্পতি নাতালিয়া বাকশিভা ও তার স্বামী ৩৫ বছরের দিমিত্রি বাকশিভকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই ৩৫ বছরের এক ব্যক্তি ও তাঁর ৪২ বছরের সঙ্গীর খুনের ঘটনায় ওই দম্পতির হাত থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। ১৯৯৯ থেকে এই ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড তারা চালিয়ে আসছে বলে অনুমান পুলিশের।

রাশিয়ার টিভি চ্যানেল এনটিভি জানিয়েছে, পুলিশ ওই দম্পতির বাড়িতে হানা দিয়ে মানুষের দেহাংশ, ক্যানবন্দী মাংস ও লবনাক্ত জলে ডোবানো দেহাংশ বাজেয়াপ্ত করেছে। এছাড়াও বরফে জমিয়ে রাখা মানুষের মাংস ও তা রান্নার প্রণালী লেখা কাগজও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাড়ির উঠোন ও বেসমেন্টেও পাওয়া গিয়েছে মানুষের দেহাংশ। মানুষ মেরে তাদের দেহাংশগুলি একটি পাত্রে ভরে ফ্রিজে ভরে রেখে দিত ওই দম্পতি। তারপরেই সেগুলো গলাধঃকরণ করত। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে।

ওই দম্পতির খোয়া যাওয়া মোবাইলের সূত্র ধরে এই ভয়ঙ্কর ঘটনার হদিশ করতে পেরেছে পুলিশ। গত ১১ সেপ্টেম্বর একটি রাস্তা সারাইয়ের সময় ওই মোবাইলটি কর্মীদের হাতে পড়ে। মোবাইলটি তখনও চালু ছিল। মোবাইলের ভেতরে ছবি দেখে আঁতকে ওঠেন রাস্তা সারাই কর্মীরা। তাঁরা ছবিতে এক ব্যক্তিকে মানুষের দেহাংশ মুখে নিয়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা পুলিশের কাছে মোবাইলটি জমা দেন। সেখান থেকেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সেই সূত্র ধরেই খোঁজ মেলে নরখাদক দম্পতির।

০৮ নভেম্বর, ২০১৮ ২৩:৪৬:২১