চ্যাট রুমে অন্য নারীর ছবি ব্যবহার, গ্রেফতার ৩ যুবতী
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
ফেসবুক থেকে মেয়েদের ফটো নিয়ে তা ব্যবহার করে লাগিয়েছিল সেক্স-চ্যাট রুমে। অনলাইনে সেক্স-চ্যাটের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া হত ৫০০০ টাকা করে। এভাবেই রমরমিয়ে চলছিল অনলাইনে সেক্স-চ্যাট। কিন্তু এই ব্যবসা বেশিদিন গড়াতে পারল না। পুলিসের হাতে ধরা পড়ে গেলে সেক্স র্যাকেটের তিন যুবতী। এক মহিলা পুলিসের কাছে এসে অভিযোগ জানান, তাঁর ফটো বেআইনিভাবে সেক্স চ্যাট রুমে ব্যবহার করা হচ্ছে। তখনই এই খবরটি প্রকাশ্যে আসে। 

দিল্লির এই তিন বোন অন্য মেয়েদের ছবি ব্যবহার করে চ্যাটরুমের প্রত্যেক ভিজিটরের সঙ্গে অনলাইন সেক্স চ্যাট করতেন। এক মহিলা রানিবাগ পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ করেন, তাঁর ছবি ফেসবুক থেকে ডাউনলোড করে কেউ সেক্স চ্যাটরুমে ব্যবহার করছে। তাঁর ফোন নম্বর চেয়ে বহু লোক মেসেজ পাঠাচ্ছেন তাঁকে। পুলিস তদন্তে জানতে পারে, ফোন নম্বর চেয়ে মেসেজ পাঠানো এক ব্যক্তি একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা ট্রান্সফার করেছেন। এরপরই ওই মহিলার ফটো ও সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্ক পেয়ে যান তিনি। পুলিশ জানতে পারে, ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফৈজাবাদের ৩ বোনের, যাদের মা-বাবা কৃষক। তিনজনেই বাবা মাকে মিথ্যে বলেন, যে তাদের বহুজাতিক সংস্থায় চাকরি মিলেছে। বাড়িতে কিছু কিছু টাকাও পাঠাতেন যাতে কারও সন্দেহ না হয়। 

পুলিশ জানিয়েছে, ৩ বোনেরই অসংখ্য জাল অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ফোন করে ছেলেদের অনলাইনে সেক্স চ্যাটে ডাকতেন তারা। এ জন্য নিতেন ৫০০-৫০০০ টাকা। মহিলাদের সম্মানহানি ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ বোনকে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন বোন দিল্লি এসেছিল পড়তে। স্নাতক হয়ে ছেড়ে দেয় পড়াশোনা।

এক বন্ধুর মাধ্যমে সেক্স চ্যাটরুমের ব্যাপারে তারা জানতে পারেন, শুরু হয় এভাবে রোজগার। তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে ১১ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এই ৩ বোন ছেলেদের সঙ্গে প্রথমে চ্যাট করতেন। কেউ তাঁদের ছবি চাইলে পাঠাতেন অর্ধেক ছবি। পুরো ছবির জন্য টাকা চাইতেন। কেউ টাকা পাঠিয়ে দিলে ফেসবুক থেকে কোনও মহিলার ছবি ডাউনলোড করে পাঠিয়ে দিতেন, সঙ্গে পাঠাতেন মহিলার সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্ক। এভাবে গত ৫ বছরে বহু লোককে ঠকিয়েছেন তারা। সূত্র: আজকাল

 

২২ জানুয়ারি, ২০১৮ ১০:৪০:২৩