সৌদি রাজপুত্র জুয়ায় খোয়ালেন পাঁচ বউকে!
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
জুয়ার টেবিলের সামনে বসলে তার হুঁশ থাকে না৷ মাদকের নেশা না করলে ঘুম আসে না৷ যৌনদাসীর সংখ্যাও অঢেল৷ এই রাজপুত্তুরটির নাম মাজেদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুলাজিজ আল সৌদ৷ তার বউয়ের সংখ্যা ৯৷ যার মধ্যে জুয়ায় বাজি ধরে হারালেন পাঁচজনকে! বলতে গেলে একেবারে আধুনিক মহাভারত। প্রেক্ষাপট শুধু মিশর৷ মহর্ষি ব্যাসদেবের ‘মহাভারত’-এ কৌরবদের সঙ্গে পাশা খেলতে গিয়ে পঞ্চপাণ্ডব যেভাবে নিঃস্ব হয়ে শেষ মুহূর্তে তাদের স্ত্রী দ্রৌপদীকে বাজি ধরেছিলেন এই রাজপুত্রের কাহিনিও ঠিক সেই রকমই৷

কীভাবে? সৌদি আরবের এই রাজপুত্র সিনাই প্রদেশের গ্র্যান্ড ক্যাসিনোয় ছ’ঘণ্টা ধরে জুয়া খেলছিলেন৷ মাদকের নেশায় হুঁশ খুইয়ে তার ধন-সম্পত্তির সমস্তটা বাজি রেখেছিলেন৷ কিন্তু ভাগ্য সঙ্গে ছিল না৷ নিমেষে উড়ে যায় তার বাজি ধরা ১.৩৫০ বিলিয়ন রিয়াল৷ এরপরও তিনি জুয়ায় অর্থ বিনিয়োগ করতে চান৷ কিন্তু কানাকড়ি কিছুই না থাকায় শেষপর্যন্ত নিজের ৯ স্ত্রীয়ের বাজি রেখে খেলা শুরু করেন৷ এক-এক করে পাঁচ স্ত্রীকেও খোয়ান মাজেদ৷ বিলাসবহুল জীবনযাপন ও নানা কেলেঙ্কারির জন্য বিশ্বখ্যাত মাজেদ৷

ওই ক্যাসিনোর মালিক আলি শামুন জানিয়েছেন, পাঁচ স্ত্রীকে বিক্রি করে ২৫ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন মাজেদ৷ তারপর পাঁচ স্ত্রীকে এক ব্যক্তির দিকে ঠেলে দিয়ে ফের জুয়া খেলায় মনোনিবেশ করেন৷ এর আগে অনেকে নিজের ঘোড়া, উট, বাড়ি বাজি ধরে জুয়া খেলেছেন৷ পরে আবার অর্থ দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছেন৷ কিন্তু এই প্রথম কেউ বউদের বিক্রি করল এবং পরে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করলেন না৷”

মিশর থেকে সৌদি আরবে ওই পাঁচ যুবরানিকে কীভাবে ফেরত পাঠাবেন সেই চিন্তাই এখন কুড়েকুড়ে খাচ্ছে শামুনকে৷ তবে আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সৌদি রাজ পরিবারের কেউ ফের ওই পাঁচ বউকে কিনে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন বলেও ক্যাসিনোর কয়েকজন কর্মী অনুমান করছেন৷ তা না হলে কয়েক মাসের মধ্যে ওই নারীদের ইয়েমেন, কাতারে নিলাম ডেকে বিক্রি করে দেওয়া হবে৷ যদিও সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছে, এমন ঘটনায় দ্রুত দেনা মিটিয়ে নারীদের ফিরিয়ে আনার বন্দোবস্ত করা হবে৷ তবে যার জন্য এত অশান্তি তিনি কী করছেন? গোপন সূত্রে খবর, মিশর থেকে তিনি এখন পালিয়েছেন৷ পশ্চিম এশিয়ার কোনও একটি দেশে আশ্রয় নিয়েছেন৷ সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

 

০২ জুন, ২০১৭ ০০:১৩:০৬