'সরকারের কঠোর নজরদারির মধ্যে সাংবাদিকতা এখন খুবই কঠিন'
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
দ্যা গার্ডিয়ানের রাজনৈতিক প্রতিবেদক শালায়লা মেধুরা
সারা বিশ্বেই সাংবাদিকতা এখন খুবই কঠিন। কারণ, সবাইকে সরকারের কঠোর নজরদারির মধ্যে কাজ করতে হয়। প্রকৃত সত্য জনগণকে জানাতে তাই সাংবাদিকদের কৌশলী হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দ্যা গার্ডিয়ানের রাজনৈতিক প্রতিবেদক শালায়লা মেধুরা। দুদিনের ঢাকা সফরে তিনি ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে জানান তার সাংবাদিকতার দর্শন ও অভিজ্ঞতার কথা।

গল্প বলতে পছন্দ করেন বলে শালায়লা পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সাংবাদিকতা। সংস্কৃতি আর খেলাধুলা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও ইমিগ্রেশন ও পশ্চিমা রাজনীতির ওপর বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক হিসেবে এখন কাজ করছেন তিনি। খ্যাতি কুড়িয়েছেন এসবিএস নিউজ নেটওয়ার্কের হয়ে। এখন কাজ করছেন দ্যা গার্ডিয়ানের রাজনৈতিক প্রতিবেদক হিসেবে।

দ্যা গার্ডিয়ান এর রাজনৈতিক প্রতিবেদক শালায়লা মেধুরা বলেন, আমি রাজনীতি নিয়ে কাজ করি, কারণ আমি কৌতুহলী, জানাতে চাই রাজনীতি কিভাবে সমাজকে প্রভাবিত করে, আমি যা কিছুই করি সবই পিপল ফোকাসড। জনগণের অধিকারকে সবার আগে আমরা প্রাধান্য দেই। রাজনীতিকদেরই কেবল আমাদের জীবন বদলে দেবার সুযোগ আছে, আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমার প্রতিষ্ঠানেরও সত্যিকারের আগ্রহ আছে বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে।

সারাবিশ্বেই পুঁজিপতিদের দখলে সাংবাদিকতা, অনেক ক্ষেত্রেই সাংবাদিকদের কণ্ঠস্বর নিচুতে রাখতে হয় বাধ্য হয়ে। শালায়লা বললেন, এটাই সারাবিশ্বের সাংবাদিকদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

শালায়লা মেধুরা বলেন, সাংবাদিকতা এখন খুবই কঠিন কারণ, সারাবিশ্বেই সরকারের কঠোর নজরদারীর মধ্যে সাংবাদিকদের কাজ করতে হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া কিংবা ইংল্যাণ্ডেও। কিন্তু যখন আপনি মিথ্যা কিছু পান, আপনি নিজে তো জানেন, আপনি এটা পেয়েছেন, এর প্রচারের জন্য যে কৌশল প্রয়োজন সেটা আপনি অবলম্বন করবেন, দেশের জনগণকে জানাবেন। জনগণ কিন্তু মূর্খ নয়, তারা জানে। আপনি সাংবাদিক হিসেবে শুধু সেটা প্রকাশ করেন। এর সাথে যেহেতু পেশাগত তৃপ্তিও জড়িত, তাই আপনি কোন ভাবেই জনগণের অধিকারের বিরুদ্ধে অসত্য বলে টিকে থাকতে পারবেন না। বিভিন্নভাবে সাংবাদিকদের উপর প্রচুর চাপ থাকলেও আমি মনে করি এখনো সন্তুষ্টিও আছে অনেক।

শালায়লা মনে করেন, সারা পৃথিবীতেই ক্ষয়িষ্ণু প্রিন্টমিডিয়া আবার কামব্যাক করবে অনলাইনকে ভরসা করে। এমন কী টিভি সাংবাদিকতাকেও হুমকির মুখে ফেলতে পারে অনলাইন মিডিয়াগুলো। টেলিভিশনগুলোর উচিত ওয়েব পোর্টালের দিকেও স্ক্রীনের মতো সমান নজর দেয়া।  সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন।

২৯ আগস্ট, ২০১৫ ১৬:০১:২২