পাঁচবার গভর্নর জেনারেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী ঔপন্যাসিক হিউ ম্যাকলেনান
সুব্রত কুমার দাস
অ+ অ-প্রিন্ট
ঔপন্যাসিক হিউ ম্যাকলেনান
কানাডার নোভা স্কোশিয়া প্রদেশের রাজধানী হ্যালিফাক্সে সংঘটিত ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বরের সামুদ্রিক বিস্ফোরণটি মানব ইতিহাসের করুণতম এক ঘটনা। নিউইয়র্ক থেকে হ্যালিফ্যাক্স হয়ে ফ্রান্স যাবার কথা ছিল বিস্ফোরক ভর্তি জাহাজ মঁদ ব্লাঁকের। সংঘর্ষ হলো নরওয়ের জাহাজ ইমোর সাথে। তছনছ হয়ে গেল হ্যালিফ্যাক্সের রিসম- এলাকা। দুই হাজারের বেশি মানুষ মারার গেলেন, নয় হাজারের বেশি আহত। সে ঘটনা কানাডার সাহিত্যেও ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ভালো করে খুঁজলে দেখা যাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সে ঘটনা আশ্রয় পেয়েছে অন্তত শতাধিক গ্রন্থে। হ্যালিফ্যাক্স ঘটনাকে কেন্দ্র করেই কানাডায় খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক হিউ ম্যাকলেনান (১৯০৭Ñ১৯৯০) রচনা করেন তাঁর বহুল উচ্চারিত উপন্যাস ‘ব্যারোমিটার রাইজিং’ (১৯৪১)। উল্লেখ করা যেতে পারে ২০১৭ সাল ছিল হ্যালিফ্যাক্স বিস্ফোরণের শতবর্ষ। যথাযথ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়েছে নিহতদের।

কানাডায় সাহিত্যে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হলো ‘গভর্নর জেনারেল সাহিত্য পুরস্কার’। হিউ ম্যাকলেনান তাঁর সাহিত্যের জন্য ওই পুরস্কারটি পাঁচবার লাভ করেন। তিনি হলেন দুজন কানাডীয় সাহিত্যিকের একজন যিনি সর্বোচ্চ পাঁচবার পুরস্কারটি পান। ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত তাঁর উপন্যাস ‘দ্য সলিটিউড’ প্রথমবার সে পুরস্কারটি লাভ করেছিল। ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত ‘দ্য প্রিসিপিস’ উপন্যাসটির জন্য তিনি আবারও পুরস্কারটি লাভ করেন। পরের বছর প্রবন্ধগ্রন্থ ‘ক্রস কান্ট্রি’র জন্য আবারও পুরস্কারটি তার ঘরে আসে। ১৯৫৪ সালে পুরস্কারটি আসে প্রবন্ধগ্রন্থ ‘থার্টি অ্যান্ড থ্রি’-র জন্য। শেষবার পুরস্কারটি পান উপন্যাসের জন্য। সালটি ছিল ১৯৫৭। উপন্যাসের নাম ‘দ্য ওয়াচ দ্যাট এনডস দ্য নাইট’। জানিয়ে রাখা যেতে পারে যে দীর্ঘকাল হিউ ম্যাকলেনান ছিলেন একমাত্র সাহিত্যিক যিনি পুরস্কারটি পাঁচবার পেয়েছিলেন। দ্বিতীয় যে ব্যক্তি এই পুরস্কারটি সমান সংখ্যকবার লাভ করেন তিনি হলেন, মাইকেল ওনডাটজি। হ্যালিফ্যাক্স ঘটনা নিয়ে রচিত ‘ব্যারোমিটার রাইজিং’ হিউ-এর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।

কানাডার জাতীয় চারিত্র্যবৈশিষ্টকে সাহিত্যে যে সকল ইংরেজিভাষী কানাডীয় লেখক ধারণ করেছেন হিউ ম্যাকলেনান তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য। হিউয়ের জন্ম নোভা স্কোশিয়াতে। ১৯৩৫ সালে কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন হিউ। অধ্যাপনাটা জীবনের সাথে লেগেছিল সারাজীবন। ১৯৬৮ সালে মন্ট্রিয়লের ম্যাকগিল বিশ^বিদ্যালয়ে পূর্ণ অধ্যাপক হন। ১৯৭৯ সালে প্রফেসর ইমেরিটাস হিসেবে অবসর নেন হিউ। যদিও এর আগেই ১৯৬৭ সালে অর্ডার অব কানাডায় কম্পেনিয়ন হিসেবে ভূষিত হন তিনি।পাঁচবার গভর্নর জেনারেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী ঔপন্যাসিক হিউ ম্যাকলেনান
সুব্রত কুমার দাস

কানাডার বরেণ্য এই ঔপন্যাসিকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘রাইজিং ব্যারোমিটার’ হলেও সেটি কিন্তু তাঁর প্রথম রচিত উপন্যাস নয়। এর আগে ‘সো অল দেয়ার প্রেইজেস’ এবং ‘অ্যা ম্যান শুড রেজয়েস’ নামে হিউ দুটি উপন্যাস লিখেছিলেন। প্রকাশক সে দুটি ছাপতেও সম্মতি দিয়েছিলেন এবং মর্মান্তিক যে, দুটির কোনোটিই শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। এলসপেথ ক্যামেরন তাঁর ‘হিউ ম্যাকলেনান: অ্যা রাইটার্স লাইফ’ শিরোনামের জীবনীগ্রন্থে জানিয়েছেন যে স্ত্রী ডরোথি ডানকান তাঁকে বোঝাতে সক্ষম হন যে আগের দুটি উপন্যাসের কোনোটিই কানাডা প্রেক্ষাপটে না হওয়াটা ছিল একটি দুর্বলতা। তিনি স্পষ্ট করেন যতদিন কানাডায় সাহিত্যের একটি নিজস্ব ধারা তৈরি না হচ্ছে, ততদিন বহির্বিশে^র মানুষ কানাডাকে বুঝতে সক্ষম হচ্ছে না। ডরোথি তাঁকে পরামর্শ দেন কানাডাকে প্রেক্ষাপট বানিয়ে একটি উপন্যাস রচনা করার। এসবেরই ফসল ১৯৪১ সালে প্রকাশিত গ্রন্থ ‘ব্যারোমিটার রাইজিং’। সমালোচকদের মতে এই উপন্যাসটি হলো প্রথম একটি জাতীয় উপন্যাস যেটিতে একজন কানাডীয়র দৃষ্টিতে কানাডাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

হ্যালিফ্যাক্স বিস্ফোরণের সময় হিউ ছিলেন দশ বছরের এক বালক। ২ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কে হিউ চিত্রায়িত করেছেন তাঁর এই উপন্যাসে। করেছেন সেই বালকের চোখ দিয়ে যে বালক ওই বিস্ফোরণ থেকে ঘটনাচক্রে রক্ষা পেয়েছিল। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধ শুরু কালে Ñ আমেরিকা থেকে। বিষয় হিসেবে নিয়েছিল প্রথম বিশ^যুদ্ধের ক্ষত। প্রথম বিশ^যুদ্ধের ভেতর দিয়ে ঔপনিবেশিক ব্রিটেনের যে প্রভাব ছিল কানাডার ওপর, সেটির যে পরিবর্তন ঘটে হিউ ওই বিষয়টিকেও চিত্রায়িত করেছেন।

‘ব্যারোমিটার রাইজিং’কে অনেক সমালোচকই লিয়েফ তলস্তোয়ের ‘যুদ্ধ ও শান্তি’ উপন্যাসের সাথেও তুলনা করতে চান। তাদের চাওয়াটা এ কারণে যে, যুদ্ধকে কেন্দ্র করে একটি উপন্যাসের ভেতর দিয়ে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের ওপর যুদ্ধের প্রভাবকে তলস্তোয়ের মতো হিউ নিজেও গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁর উপন্যাসে। কানাডার বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক জর্জ উডকক তাঁর ‘ইন্ট্রোডিউসিং হিউ ম্যাকলেনান’স ব্যারোমিটার রাইজিং’ গ্রন্থে লিখেছেন এ উপন্যাসটি বিশিষ্ট এ কারণে যে ‘স্টিফেন লেকক, মর্লি কালাহান এবং সারাহ জেনেট ডানকান কানাডায় যে শহুরগুলোকে কেন্দ্র করে তাঁদের উপন্যাসকে নির্মাণ করেছেন সেগুলো ছিল কল্পিত শহর, কিন্তু ম্যাকলেনান সর্বপ্রথম আমাদের চেনা বাস্তবের একটি শহর হ্যালিফ্যাক্সকে কেন্দ্র করলেন।’ (পৃ : ১৯)

উপন্যাসের কেন্দ্রিয় চরিত্রের নাম পেনিলোপ ওয়েন। পেনিলোপ বিশ^াস করে ওর বাবা কর্নেল জিওফ্রি ওয়েনের অধীনে বিদেশে, ফ্রান্সে যুদ্ধ চলাকালে নীল ম্যাকরে নিহত হয়েছে। নীল ছিল পেনির প্রেমাষ্পদ। পেনি বিশ^াস করতে চায় না যে নীল মারা গেছে, কিন্তু ওই সত্যিটাকেই মেনে নিতে বাধ্য হয়। এক পর্যায়ে মন স্থির করে অ্যাঙ্গাস মুরেকে বিয়ে করার। এমন সময়ে নীল ফিরে আসে হ্যালিফ্যাক্সে। সবকিছুর অবসান হতে চায় যেন। আর তারপরের দিনই ঘটে হ্যালিফ্যাক্স বিস্ফোরণ।

সমালোচকেরা মনে করেন এই উপন্যাসে হিউ যেমন যুদ্ধের ভয়াবহতা চিহ্নিত করেছেন, তেমনি একই সাথে যুদ্ধ পরবর্তীকালে কানাডায় জেগে ওঠার বিষয়টিকেও মূর্ত করেছে। এলসপেথের জীবনীগ্রন্থে ‘ব্যারোমিটার রাইজিং’ নিয়ে বত্রিশ পৃষ্ঠার একটি অধ্যায় যুক্ত করেছেন। প্রথম প্রকাশিত সে উপন্যাস নিয়ে পত্র-পত্রিকার আলোচনা-সমালোচনা যে কোনো পাঠককে স্তব্ধ করবে সন্দেহ নেই। সবার একই কথা Ñ সত্যিকারে একটি কানাডীয় উপন্যাস নিয়ে হিউয়ের আবির্ভাব।

শক্তিশালী এই কথাসাহিত্যিকের চূড়ান্ত বিজয় ঘটলো পরের উপন্যাস ‘টু সলিটিউডস’ দিয়ে। ইংরেজিভাষী এবং ফরাসিভাষী কানাডীয়দের দূরত্ব চিহ্নায়ন করলেন নন্দিত এই ঔপন্যাসিক। প্রথম বিশ^যুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত সময়কে আশ্রয় করলেন। দুইভাষী ভিন্ন সত্তার কানাডীয়দেরকে যেন ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করতে চাইলেন সাহিত্যের এই পুরোধা। যদিও আমরা দেখতে পাই মৃত্যুর আগে হিউ তাঁর সেই স্বপ্নরাজকে ঠিক যেন বাস্তবে দেখতে পান নাই। পীড়িত হয়েছেন। হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

‘টু সলিটিউডস’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৪৫ সালের ১৭ জানুয়ারি। এলসপেথ জানিয়েছেন, ওইদিন দুপুর হওয়ার আগেই প্রথম সংস্করণের সবগুলো অর্থাৎ ৪,৫০০ কপি বই বিক্রি হয়ে যায় (পৃ: ১৮৩)। এই বই হিউ ম্যাকলেনানকে পূর্ণকালীন লেখকে পরিণত করে তুলেছিল। বছর শেষ হওয়ার আগেই কানাডা ও আমেরিকাতে বইটির ৫০ হাজার কপি বিক্রি হয়ে যায় (পৃ : ১৯৩)। পরের বছর ‘১৯৪৫ সালে রচিত শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্য গ্রন্থ’ হিসেবে ‘টু সলিটিউড’ গভর্নর জেনারেল পুরস্কার লাভ করে। হিউ ম্যাকলেনান কানাডীয় সাহিত্যে এত বেশি নন্দিত হয়ে ওঠেন যে মাত্র বারো বছরের মধ্যে তিনি পাঁচবার সাহিত্যের জন্য গভর্নর জেনারেল পুরস্কার লাভ করে ফেলেন। তিনবার উপন্যাসে, দুইবার প্রবন্ধ সাহিত্যে। এলসপেথ জানিয়েছেন ১৯৬৮ সাল নাগাদ তিনি বারোটি সম্মানসূচক ডিগ্রি লাভ করেন। সেটির আধ্যিক্য এত বেশি ছিল যে একসময় তিনি বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন, ‘I am dying by degrees’ (পৃ : ৩৪৫)। উল্লেখ করা প্রয়োজন, ১৯৮৪ সালে হিউ এক লক্ষ ডলার মূল্যের রয়াল ব্যাংক পুরস্কারও লাভ করেন।

হিউ ম্যাকলেনান রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো : ‘ইচ ম্যান’স সন’ (১৯৫১), ‘রিটার্ন অব দ্য স্ফিংস’ (১৯৬৭), এবং ‘ভয়েজেস ইন টাইম’ (১৯৮০)। প্রধানত ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত হলেও বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে কানাডার প্রধান সারির গদ্যকারদের একজন হলেন হিউ। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ফিউচার অব দ্য নভেল অ্যাজ আন আর্ট ফর্ম’ (১৯৫৯), ‘সেভেন রিভারস অব কানাডা’ (১৯৬১), ‘দ্য কালার অব কানাডা’ (১৯৬৭) ইত্যাদি। সাহিত্য বিষয়েও হিউ প্রচুর লেখালেখি করেছেন। করেছেন কানাডার রাজনীতি ইত্যাদি নিয়েও। মোট তেত্রিশটি প্রবন্ধ ও বক্তৃতার সংকলন ‘দ্য আদার সাইড অব হিউ ম্যাকলেনান’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৮ সালে।

কানাডীয় সাহিত্যের আধুনিকায়নের শুরুর কালের মানুষ হিউ। পার করেছেন পুরো সেই সময়টা যখন কানাডীয় সাহিত্য এগুতে এগুতে ক্যানলিটের ভেতর দিয়ে শক্ত পায়ে দাঁড়ালো পৃথিবীর সাহিত্য-মানচিত্রে। হিউ তাঁর উপন্যাসেই শুধু সময়টাকে ধরেননি, পূর্ণ বিস্তারে ব্যাখ্যা করেছেন তাঁর প্রবন্ধসাহিত্যেও। ‘দ্য আদার সাইড’ তেমনই এক চিন্তা-সমৃদ্ধ প্রবন্ধ সংকলন। সাহিত্য নিয়ে, সাহিত্যের পাঠক নিয়ে, উপন্যাসের অগ্রসরণ নিয়ে, কানাডীয় উপন্যাসের বিকাশ নিয়ে হিউয়ের বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়ন বিশেষ প্রণিধানযোগ্য। ‘দ্য রাইটার অ্যা- হিজ অডিয়েন্স’ (১৯৫৪), ‘দ্য চেঞ্জড ফাংশনস অব ফিকশন অ্যা- নন-ফিকশন’ (১৯৬৭), ‘রিফ্লেকশনস অন টু ডিকেডস’ (১৯৬৯), ‘দ্য রাইটার্স এনগেজ’ (১৯৭৬), ‘টু সলিটিউডস : থার্টি ইয়ারস ল্যাটার’  (১৯৭৮) এমনই সব নক্ষত্র-সমান প্রবন্ধ। সাহিত্য বুঝতে, কানাডীয় সাহিত্য বুঝতে হিউয়ের এই সব কালজয়ী প্রবন্ধ যে কোনো আগ্রহী পাঠকের মূল্যবান পাঠ। বলে রাখা প্রয়োজন হিউ ম্যাকলেনান এমন প্রবন্ধ লিখেছেন চার শ’র বেশি।

হিউ ছিলেন কানাডীয় সাহিত্যের মুখপাত্র স্বরূপ। ১৯৮০ সালে তিনি লিখলেন, ‘I doubt if my own background qualifies me as a spokesman for Canadian literature’’ (‘অ্যা রাইটার্স লাইফ’, পৃ: ৩৭৪)। এলসপেথের জীবনীটি প্রকাশিত হয়েছিল যখন হিউয়ের বয়স চুয়াত্তর। সে জীবনী পড়ে কানাডীয় আরেক অগ্রগণ্য সাহিত্যিক ম্যারিয়ান এনজেলকে তিনি এক চিঠিতে লিখলেন: 'As for Elspeth’s biography of me, I’ve not read a line of it. She knows more about me professionally and possibly unprofessionally, than I know about myself.’  ১৯৮১ সালের ১ মে তারিখে লেখা এই চিঠিটা আছে ‘ডিয়ার মারিয়ান, ডিয়ার হিউ’ গ্রন্থে। কিন্তু তা সত্ত্বেও হিউ ম্যাকলেনান কানাডীয় সাহিত্যের মুখপাত্র Ñ কানাডার অগ্রগণ্য সাহিত্যিক।  

 

 

সহায়ক গ্রন্থ :



  • Introducing Hugh MacLennan’s Barometer Rising, George Woodcock, ECW Press, Toronto, 1989.


  • Hugh MacLennan: A Writer’s Life, Elspeth Cameron, University of Toronto Press, Toronto, 1981.


  • The Other Side of Hugh MacLennan, Selected Essays Old and New, Edited by Elspeth Cameron, Macmillan of Canada, Toronto, 1978.


  • Dear Marian, Dear Hugh : The MacLennan-Engel Correspondence, Edited by Christl Verduyn, University of Ottawa, 1995


 


 


০১ জুলাই, ২০১৮ ১২:১৮:৫৮