নুরুন্নাহার শিরীনের একগুচ্ছ জলজকাব্য
অ+ অ-প্রিন্ট
এক.

বলছিলাম তোমাকে মনে-মনে

আমারও অদিন সুদিন গেলো বনে।।

তবুও গাঁ খুজি শহুরে বাঁধন ভালোবেসে - 

বেলাঅবেলা কালবেলায় ভেসে। 

বুঝি ভালোবাসাকে ভুলেছি সে আসেনা পাশে ...  

আহাময় অসীমতা একা আসে। 

একলা একটি তীব্র নীল বাতাসে-বাতাসে

হলুদিয়া হৃদয়ের ভাষা ধূসরের দেশে।

 

দুই.

যাদের যাবার কথা ওরা তবে যাক। 

ক্লেদাক্ত ম্লানিমা ছেড়ে পৃথিবীটা ভালো থাক। 

চাইলে আসে না জানি সম্ভাবনার সুদূর - 

চাইলে আসে না জানি হৃত অফুর দুপুর।

কেবল কবিই ভাবে চাইলে কিই না হয়!

কেবল কবির ভাবের আলোয় নিরাশারে আশা মনে হয়। 

অই আশালতা আমি ভালোবাসি খুব ...

অই আশালতায় আমার কাগজের ডানা চুপ।

 

তিন.

অতঃপর আটকুঠুরি নয় দরোজাভাঙা আমি ...

অচিনপুরে দোজখ না কি বেহেশতে আমি? 

যতই ভাবি যে ভাববো না আর ওসব অচিন ...  

অমনি আবার ঝাঁজিয়ে জাঁকিয়ে কঠিনের রাতদিন। 

কোথায় কি দিয়ে ঝেঁটিয়ে বিদায় করি? 

ঘাড়ের 'পরেই রেখেছে পা বটি পেলে কুচি করি ! 

 

চার. 

জানি না কতটা যোগ্য হবার পরেই কবি পায় - 

  জ্ঞাণীগুণীজনের নজরে পড়বার অভিপ্রায় !  

অসম যুদ্ধের মতো আশপাশের আশ্রয়হীন যত - 

কি পায় কি খায় বেলা কত হলো জানেও না ঠিকমতো !  

আমারও জানা নাই কোন পথে প্রিয়জন যায় - 

মেধাহীন ভাতঘুমে চারবেলা চারদিকে হৃদি  কোন পথে যায়?

 

২ জুন, ২০১৬ 

ঢাকা, বাংলাদেশ।  

 

০২ জুন, ২০১৬ ২২:২২:৪৫