ধর্ষণ প্রতিরোধে ড. জাকির নায়েকের পরামর্শ
ওমর শাহ
অ+ অ-প্রিন্ট
ধর্ষণ প্রতিরোধে যৌক্তিক পরামর্শ দিয়েছেন ড. জাকির নায়েক। নারীদের অধিকার নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে ড. জাকির নায়েক বলেন, ইসলামে নারীকে যেমন পর্দার নির্দেশ দিয়েছে পুরুষকেও পর্দার নির্দেশ দিয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী! আপনি ঈমানদার পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং যৌনাঙ্গের হেফাজত করে। এতে তাদের জন্য উত্তম পবিত্রতা রয়েছে। নিশ্চয়ই তারা যা করে আল্লাহ এ ব্যাপারে অবগত। আর ঈমানদার নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং যৌনাঙ্গের হেফাজত করে।’ [সূরা নূর : ৩০]

কোরআনের এ আয়াতটি দ্বারা বুঝে আসে ইসলাম নারীর পাশাপাশি পুরুষকেও পর্দার নির্দেশ দিয়েছ। অর্থাৎ নারী পুুুরুষ উভয়কেই পর্দা করতে হবে। তবে নারীকে এ ক্ষেত্রে বেশি সচেতন থাকতে হবে। এ সময় তিনি উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেন, ধরুণ! দুইজন সুন্দরি রমনী দেখতে একইরকম। একজন ইসলামি নিয়মে হিজাব পরিহিত অন্যজন ওয়েষ্টার্ন পোশাকে, প্রায় অর্ধ নগ্ন। উভয়ে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। আর রাস্তার পাশে কিছু বখাটে যুবক আড্ডা দিচ্ছে। তাহলে তারা কাকে উত্যক্ত করবে?

এখন, সমাজের সব যুবকই কি ভাল চরিত্রের? নিশ্চয় নয়। তাহলে শ্লীলতাহানীর ঘটনায় কার ক্ষতি বেশি? মেয়েটির। তাহলে নিজের নিরপত্তার জন্য কি নিজেকেই ব্যবস্থা নিতে হবে না?

তিনি বলেন, আমরা জানি যে পুরুষকেও পর্দার কথা বলা হয়েছে। তবে একটা মিষ্টির নিরাপত্তার জন্য যেমন আপনাকে মিষ্টি ঢেকে রাখতে হবে, মাছিকে যতই মানা করেন হবে না। তেমনি মেয়েদের সম্মান বাঁচানোর জন্য হিজাবের বিকল্প নেই। একবার ধর্ষণ হলে হয়তো লোকটার শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারবেন, নিজের সম্ভ্রম-সম্মান কি ফিরে পাবেন?

সূত্র : ইউটিউব থেকে/ আমাদের সময় ডটকম

২৪ মে, ২০১৫ ১২:৫১:০৯