ছোট স্কার্টে ছাত্রদের ‘নজর’, স্কুল কর্তৃপক্ষকেই কাঠগড়ায় তুলল আদালত
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট


যত বিপত্তি স্কার্ট নিয়ে৷ ছাত্রীরা হাঁটুর উপর পর্যন্ত স্কার্ট পরে স্কুলে যাবে, ড্রিল করবে আর ছাত্রদের চোখ ইতিউতি ঘুরবে না, তা কি হয়? না, তা মোটেও হচ্ছে না৷ আর এখানেই যত বিপত্তি একমাত্র স্কুল ড্রেস স্কার্ট নিয়ে৷

নর্থ ক্যারোলিনার চার্টার ডে স্কুল৷ নার্সারি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়৷ তার মধ্যে ষষ্ঠ এবং অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের বিপর্যয় মোকাবিলায় মহড়া শেখানো হয় স্কুলেই৷ যেমন, আগুন লাগলে বা কোথাও দুর্ঘটনা ঘটলে, কীভাবে আপৎকালীন পরিস্থিতি সামলানো যায়, তার পাঠ দেওয়া হয় পড়ুয়াদের৷ একেবারে মাটিতে নেমে প্র্যাকটিকাল ক্লাসও করতে হয়৷ এখন স্কুলড্রেস ছোট স্কার্ট হওয়ায় ড্রিলের ক্লাসে তা নিয়ে বেশ সমস্যায় ছাত্রীরা৷ হাজার হোক, ক্লাস সিক্স বা এইট মানে বেশ বড় হয়ে যাওয়া৷ বয়ঃসন্ধিতে ছাত্র, ছাত্রী উভয়েরই মানসিক, শারীরিক বদল হয়৷ পালটে যায় অনুভূতিগুলো৷ শরীরের ইতিউতিতে চোখ আটকে যায়৷ চার্টার স্কুলের ছাত্র বা ছাত্রীরাও এর ব্যতিক্রম নয়৷ সেখানেই পুরুষ সহপাঠীর সঙ্গে ড্রিল করতে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়ছে ছাত্রীরা৷

কী ভাবছেন? আমেরিকায় আবার এধরনের সমস্যা! অবাক হলেও, নর্থ ক্যারোলিনার এই স্কুলে আপাতত পোশাক নিয়েই তরজা৷ ক্ষুব্ধ অভিভাবকমহল, নাজেহাল শিক্ষিকারা৷ ছাত্রীরা কিছুতেই ওই স্কার্ট পরে ড্রিল করতে রাজি নয়৷ বছর দুই আগে ছাত্রীদের অভিভাবক এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের মধ্যে আইন আদালতও হয়৷ দু’পক্ষের শুনানি শুনে বিচারকের পর্যবেক্ষণ, মার্কিন আইন অনুযায়ী ছাত্রীদের সুরক্ষার জন্য আলাদা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য স্কুল কর্তৃপক্ষ৷ আর চার্টার স্কুলে তা মানা হয়নি৷ বরং এতগুলো বছর ধরে ছাত্রীদের অস্বস্তির মধ্যে রাখার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন বিচারক৷ এর কুপ্রভাব হিসেবে তিনি তুলে ধরেছেন অবাঞ্ছিত যৌনতা, কৈশোরে গর্ভধারণের মতো সামাজিক মর্যাদা হানিকর বিষয়৷ আইনি যুদ্ধে জিতে এবার থেকে ছাত্রীরা স্কুল ড্রেসে নিজেদের মতো করে বদলে নেওয়ার অধিকার পেয়েছেন৷ স্কার্টই পরবেন, তবে শর্টস বা প্যান্টের সঙ্গে৷ আর এতেই খুশি তাঁরা৷ - সংবাদ প্রতিদিন









 


৩১ মার্চ, ২০১৯ ২০:৪৪:২২