পর্নোস্টারের সঙ্গে সম্পর্ক? হোয়াইট হাউস ছাড়লেন ট্রাম্প-ঘরণী
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
পর্নোস্টারের সঙ্গে সম্পর্কের বিতর্ক৷ আর তার জেরে বিবাহ জীবন টালামাটাল আমেরিকার প্রেসিডেন্টের৷ এমনিতে ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই বহু বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি৷ তার অনেক মন্তব্যই বিতর্কের ঝড় তুলেছে৷ কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এক পর্নোস্টারের মন্তব্যে এখন চিড় ধরেছে ট্রাম্পের পরিবারে৷ শোনা যাচ্ছে তেমনই৷ সূত্রের খবর, এই পর্নোস্টারের চক্করেই নাকি ফার্স্ট লেডি স্বামীর ঘর ছেড়ে সময় কাটাচ্ছেন এক দামী হোটেলে৷

ডোনাল্ড ট্রাম্প আর বিতর্ক পায়ে পা মিলিয়ে চলেছে বরাবর৷ কিন্তু তা কোনও দিন তাঁর পরিবারিক জীবনকে সমস্যায় ফেলেনি৷ বিতর্ক ছায়া ফেলেনি তাঁর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়েও৷ কিন্তু আমেরিকার বিখ্যাত পর্নস্টার স্টর্মি ড্যানিয়েলের একটি মন্তব্য ব্যাপক সমস্যায় ফেলে দিয়েছে মেলিয়ানা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈবাহিক সম্পর্কে৷ পরিস্থিতি এতটাই খারাপ, যে ট্রাম্প-ঘরণী নাকি হোয়াইট হাউস ছেড়ে থাকতে শুরু করেছেন ওয়াশিংটন ডিসি’র এক দামী হোটেলে৷ অভিমানেই নাকি একা একা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেলিয়ানা৷ অবশ্য হোয়াইট হাউজ এ ব্যাপারে স্পিকটি নট৷

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে বেরোনো একটি লেখা সব ওলটপালট করে দিয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে৷ সেখানে ট্রাম্প ও স্টর্মির যৌন সম্পর্ক নিয়ে লেখা হয়৷ ঘটনাটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগের৷ সেখানে লেখা হয়েছিল, নির্বাচনের ঠিক আগে ১ লক্ষ ৩০ হাজার ডলারের চেক স্টিফানি নামে ওই পর্নোস্টারের কাছে পৌঁছে দিয়ে আসেন ডনের আইনজীবী মাইকেল কোহেন৷ ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য ৮২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা৷ আসলে ট্রাম্প চাননি এই সম্পর্কের কথা নির্বাচনের সময় ফাঁস হোক৷ নাহলে বিরোধীরা তার সুবিধা নেবে৷ সেই ভয়ে ট্রাম্প ওই পর্নস্টারের সঙ্গে এই চুক্তি করেন বলে শোনা যাচ্ছে৷

যদিও গোটা বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ওই আইনজীবী৷ একই দাবি সেই পর্নস্টারেরও৷ পর্নো দুনিয়ায় তাকে সবাই স্টোর্মি ড্যানিয়েল নামে চেনে৷ ডনের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক নিয়ে তার প্রতিক্রিয়া ছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যদি আমার যৌন সম্পর্ক থাকত তাহলে এতদিনে লোকে আমার বই পড়ে জানতে পারত৷

মেলিয়ানার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়েছে আরও একটি মার্কিন ম্যগাজিন। সেখানে ২০০৬ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে ওই পর্নস্টারের যৌন সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়েছে৷ তাঁরা নাকি লেক তাহোয়ের একটি ক্যাসিনো হোটেল রুমে যৌনক্রীড়ায় মেতেছিলেন৷ গত সপ্তাহের এই নয়া ঝড়ে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে ট্রাম্প জায়ার৷ সূত্রের খবর পর্নোস্টার ও ট্রাম্পের এই সম্পর্ক যে বেশ পুরনো ও রগরগে তা তিনি বুঝে গিয়েছেন৷ স্বাভাবিকভাবেই আর বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি মেলিয়ানা৷ ছেড়েছেন হোয়াইট হাউস৷ সময় কাটাচ্ছেন বিলাসবহুল হোটেলে৷ নেহাত প্রেসিডেন্টের বউ বলে তাই৷ নাহলে মনের মানুষের এমন লাগাম ছাড়া কর্মকাণ্ডে দুঃখে কুঁড়ে ঘরেও বাসা বাধতেই পারতেন মেলিয়ানা৷ আহা রে মন, আহা… আহা…. ৷ সূত্র: কলকাতা২৪

 

২৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ১০:২০:৫১