লিভার ট্রান্সপ্লান্ট কেন ও কখন হয়? জেনে নিন পাঁচ তথ্য
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন বিষয়টি পুরোপুরিভাবেই শল্যচিকিৎসা নির্ভর৷ যেখানে ক্ষতিগ্রস্থ লিভারকে বদলে ফেলা হয় আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে৷ একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়ে লিভার বদলানোর প্রয়োজন হয়৷ যখন কোনভাবেই চিকিৎসা করা সম্ভব নয়৷ খুব ভাল চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজন লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য৷ এছাড়াও কয়েকটি বিষয় একটু লক্ষ রাখা জরুরি৷

১) লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টে সাধারণত দুই ধরনের ডোনার হয়৷ প্রথমটি হল Living donors৷ যেখানে কোন সুস্থ মানুষের লিভার নিয়ে রোগীর শরীরে স্থাপন করা হয়৷ প্রতিস্থাপনের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এটি স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করা শুরু করে দেয়৷

২) দ্বিতীয় ধরণটি হল Cadaveric donor৷ এই ক্ষেত্রে মৃত মানুষদের শরীর থেকে লিভার নিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়৷ কোন মৃত মস্তিষ্কের ব্যাক্তির দেহ থেকে নেওয়া হয় লিভারটি৷ রক্তের ধরণ এবং সাইজ পরীক্ষা করে তবেই, প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷

৩) লিভার প্রতিস্থাপন পদ্ধতিটি সকলের জন্য নয়৷ রোগী যদি ক্যান্সার, হার্ট, নার্ভের রোগে আক্রান্ত হন৷ তবে, এই চিকিৎসা কোনভবেই সম্ভব নয়৷

৪) লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়টি সময়সাপেক্ষ৷ অপারেশনটির জন্য ৬-১৪ ঘন্টা পর্যন্ত লাগতে পারে৷

৫) নতুন লিভারটি সঠিকভাবে কাজ শুরু না করা পর্যন্ত রোগীকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়৷ ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ দেওয়া হয় রোগীকে৷ লিভার স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করা শুরু করলে রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়৷

 

২৮ এপ্রিল, ২০১৮ ০৯:২২:২৬