রোজায় ডায়াবেটিক রোগীর করণীয়
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
রোজায় ডায়াবেটিক রোগীর করণীয়রোজায় ডায়াবেটিকসের রোগীদেরকে বিভিন্ন বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হয়। এগুলো মেনে চললে ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

* যদি ডায়াবেটিসের সঙ্গে অন্য কোনো জটিলতা যেমন কিডনির রোগ, উচ্চমাত্রার ইউরিক এসিড ইত্যাদি থাকে, তাহলে ডালের তৈরি খাবার কম খাবেন।

* আলসার বা গ্যাস্ট্রাইটিসের সমস্যা থাকলে ডুবোতেলে ভাজা ও ঝালযুক্ত খাবারের পরিবর্তে চিঁড়া, মুড়ি খাওয়া যাবে।

* যদি বেশি ওজনের সমস্যা থাকে, তাহলে যতটা সম্ভব কম খেতে হবে এবং খাবারে তেলের পরিমাণ কমাতে হবে।

* রোজা রেখে অনেক হাঁটলে বা ভারী ব্যায়াম করলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিচে নেমে গিয়ে বিপদ হতে পারে।

* সাহ্রিতে কখনো না খেয়ে রোজা রাখবেন না। এতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া (হাইপো) হয়ে বিপজ্জনক অবস্থা হতে পারে। সাহ্রি যত দেরিতে সম্ভব খাবেন।

* নিয়মিত তারাবির নামাজ পড়লে রোজার মাসে হাঁটার প্রয়োজন নেই।

* প্রতিদিন রক্তের শর্করার পরিমাণ ঠিক মাত্রায় রাখার জন্য রোজার মাসে বেশি করে রক্তের সুগারের পরীক্ষা করতে হবে। বাসায় রক্তের সুগার মাত্রার যন্ত্র সার্বক্ষণিকভাবে থাকলে ভালো হয়।

* ইফতারের সময় অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না।

* খাবারে দই, শাক-সবজি ও ফল বেশি করে খাবেন।

* দিনের যে কোনো সময় রক্তে গ্লুকোজ কমে গেলে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া, অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ঘুরানো, অজ্ঞান হয়ে পড়া ইত্যাদি) রোজা ভেঙে ফেলবেন।

* রোজা রেখে রক্ত পরীক্ষা করা যায়।

যাদের রোজা রাখা নিষেধ:

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, গর্ভবতী ডায়াবেটিক মা, বারবার ইনফেকশনে আক্রান্ত ডায়াবেটিক রোগী, কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত ডায়াবেটিক রোগী, বৃদ্ধ ডায়াবেটিক রোগী।

লেখক: ডায়াবেটিস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, নর্থ সাউথ হাসপাতাল।

১২ জুন, ২০১৬ ১১:০২:১২