পাখিদের স্বর্গ যে লেকে
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
মিয়ানমারের উত্তরে ইন্দোচি লেক পাখিদের স্বর্গ৷ লেকের মাঝখানে আবার এক নয়নাভিরাম প্যাগোডা৷ তবুও এখানে টুরিস্টদের ভিড় নেই৷ তবে যাতে হয়, তার চেষ্টা চলেছে৷ ইন্দোচি হ্রদের ধারে যাদের বাস, তাদের অধিকাংশই জেলে, চিরকালই যেরকম ছিল৷ বিশ বছর বয়সের জোয়ে জ জ উইন কিন্তু অর্থনীতির স্নাতক৷ জোয়ে বলেন, ‘‘আমি টুরিস্ট গাইড হতে চাই৷ কাজটা খুব ভালো৷ টুরিস্টরা ইন্দোচি লেক এলাকায় প্রবৃদ্ধি আনতে পারেন, আমরা তা থেকে টাকা কামাতে পারি৷ টুরিস্টদের যাতে ভালো সময় কাটে, আমি তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করি – আবার আমার নিজেরও রোজগার হয়৷ যাকে বলে কিনা দুপক্ষেরই সুবিধা৷''

মিয়ানমারের একেবারে উত্তরে এই প্রত্যন্ত এলাকায় আপাতত খুব বেশি টুরিস্ট আসেন না৷ রাজধানী থেকে এখানে পৌঁছাতে লেগে যায় একটা গোটা দিন৷ প্রাদেশিক বিমানবন্দর এখান থেকে পাঁচ ঘণ্টার রাস্তা৷

জোয়ে ও তাঁর মতো আরো দশজন তরুণ ইন্দোচি হ্রদ এলাকায় টুরিজম বাড়াতে চান৷ সেজন্য তারা সবাই ইংরেজি শিখছেন৷ বিদেশিদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয়৷ ট্রেকিং বা কায়াকে চড়ে লেকের জলে বেড়ানো – এ সবের জন্য কী করে খদ্দের ধরা যায়৷ খুব গোলমেলে কাজ: পাঁচ বছর আগেও এখানকার বাসিন্দাদের টুরিস্টদের সঙ্গে কোনোরকম লেনদেন নিষেধ ছিল৷ জোয়ে জানালেন, ‘‘গোড়ায় আমার ভয় ছিল, আমি ঠিক ঠিক কথা বলতে পারব কিনা৷ আসলে তো সেই একই সব প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে: তোমার নাম কী? বাড়ি কোথায়? এই লেকের ইতিহাস সম্পর্কে কিছু বলো৷ সবচেয়ে দরকারি হল, টুরিস্টরা যাতে আমাকে বুঝতে পারেন; আমি কী বলছি, তা বুঝতে পারেন৷''

 

০১ মার্চ, ২০১৬ ১০:০৩:৫৫