কেঁদে ফেলা মেয়েটির জার্মানিতে থাকার মেয়াদ বাড়ল
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
ইউরোপে শরণার্থী সংকটকেঁদে ফেলা মেয়েটির জার্মানিতে থাকার মেয়াদ বাড়ল‘আমি আমার স্ত্রী-পুত্রের সঙ্গে মিলিত হতে চাই'‘উদ্বাস্তু সংকট হলো শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ'এ বছরের জার্মান শব্দটি হলো ‘উদ্বাস্তু'আইএস উদ্বাস্তুদের ধরে রাখার চেষ্টা করছেপ্যারিস সন্ত্রাসের সঙ্গে উদ্বাস্তু সংকটের সংযোগ দেখছেন যাঁরাশেঙেন চুক্তির দিন কি শেষ হতে চলেছে?শরণার্থীদের জন্য জার্মানির দুয়ার কি বন্ধ হচ্ছে?অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী হঠাৎ উধাও, ম্যার্কেল আরো সংকটেউদ্বাস্তু সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে স্লোভেনিয়াশরণার্থী গ্রহণে শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যমতঅভিবাসনপ্রত্যাশীরা বলছেন, ‘তোমরা আমাদের মেরে ফেলো'উদ্বাস্তু সংকট নিয়ে একযোগে কাজ করবে ইইউ-তুরস্কইইউ চায় তুরস্ককে, তুরস্কও চায় ইইউকেউদ্বাস্তু প্রশ্নে ম্যার্কেলের বিরোধিতায় বাভেরিয়াশরণার্থী গ্রহণে সংখ্যা বেঁধে দেবে না জার্মানি‘ম্যার্কোলঁদ' হলো ইউরোপের ইঞ্জিনউদ্বাস্তু সংকটে হাল ধরলেন ম্যার্কেলউদ্বাস্তু সংকটে ইসলাম বিরোধী পেগিডার পালে হাওয়াইউরোপের এখন কী করা উচিতইউরোপকে নিয়ে উপহাস করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টজাতিসংঘেও সিরিয়া, উদ্বাস্তু সংকট নিয়ে চিন্তাভাবনাসিরীয় উদ্বাস্তুদের জন্য ইইউ-র বিশেষ সহায়তাজরুরি বৈঠকে ইইউশরণার্থীদের পাশে শাকিরাবিহ্বল দক্ষিণ, চাপের মুখে পূর্ব ইউরোপশরণার্থী নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে জার্মানিতে‘শরণার্থীদের দুঃখ-কষ্ট স্যাটায়ারের বিষয় হতে পারে না’ইউরোপের সমালোচনা, না নিম্ন রুচির পরিচয়?শরণার্থী গ্রহণ না করলে শাস্তির প্রস্তাবইইউ-এর উদ্বাস্তু নীতির হাঁড়ির হালজার্মানিতে ১০ লক্ষ শরণার্থী আসতে পারেউদ্বাস্তু নীতির কেঁচে গণ্ডূষইইউ-র শরণার্থী নীতির আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাবইইউ-র প্রস্তাব শরণার্থী সংকটের সমাধান করবে না: অ্যামনেস্টি‘শরণার্থীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে’ইউরোপে শরণার্থী সংকট: উদ্যোগ নেয়ার এখনই সময় এমন এক ছবি কি দেখানো উচিত?উপকূলে সিরীয় শিশুর নিথর দেহ, স্তব্ধ ইউরোপ‘টিকিট কেটেছি, জার্মানিতে যেতে দেবে না কেন?’

ছবিটির কথা মনে আছে নিশ্চয়? খুব বেশি দিন আগের তো কথা নয়৷ এই তো গত জুলাই মাসের ১৫ তারিখে এমন দৃশ্যের অবতারণা হয়েছিল৷ শরণার্থী এক মেয়ে কাঁদছে, আর তাঁকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷

১৪ বছর বয়সি রিম সাহউইল একজন ফিলিস্তিনি শরণার্থী৷ গত চার বছর ধরে সে তাঁর বাবা, মা ও ভাইয়ের সঙ্গে জার্মানির রস্টক শহরে থাকছে৷ তার আগে সে ও তার পরিবার লেবাননের একটি শরণার্থী শিবিরে ছিল৷

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাহউইলের পরিবারকে জার্মানি ছেড়ে চলে যেতে হতে পারে বলে টেলিভিশনে প্রচারিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে ম্যার্কেলকে জানিয়েছিল সে৷ পরিষ্কার জার্মান ভাষায় সে জার্মান চ্যান্সেলরকে বলেছিল, ‘‘আমি জার্মানিতে পড়াশোনা করতে চাই৷ এটা আমার ইচ্ছা৷''

উত্তরে ম্যার্কেল তাঁকে বলেন যে, জার্মানি সবাইকে নিতে সমর্থ নয়৷ এই কথা শুনে সাহউইল কান্নায় ভেঙে পড়ে৷ তখন ম্যার্কেল তাকে সান্ত্বনা দিতে এগিয়ে যান৷

শেষ খবর হচ্ছে, সাহউইল ও তার পরিবারের জার্মানিতে থাকার মেয়াদ ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে৷ জনপ্রিয় পত্রিকা ‘বিল্ড' দিয়েছে এই খবর৷ সফলভাবে জার্মান সমাজের সঙ্গে একীভূত হতে পারার কারণে সাহউইলের পরিবারের থাকার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে অভিবাসন কার্যালয়৷সাহউইলের বাবা বর্তমানে অন্য শরণার্থীদের সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করছেন৷

২৬ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১১:৪০:০৪