চার দশকে সামুদ্রিক প্রাণীদের সংখ্যা অর্ধেক হয়েছে
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
জলবায়ু পরিবর্তনজীবজন্তু ভালোবাসার কোনো বয়স নেইচার দশকে সামুদ্রিক প্রাণীদের সংখ্যা অর্ধেক হয়েছেঅবশেষে ওবামা জলবায়ু পরিবর্তনকে গুরুত্ব দিলেনযুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু পরিকল্পনা নিয়ে ইইউ-র প্রশংসাপ্রিয় জাতিসংঘ, দয়া করে আলোচনার উদ্যোগ নাওবাংলাদেশে ৫৭ লাখ মানুষ বাস্তুহারা‘প্যারিসের জলবায়ু আলোচনা সফল হবে'সমুদ্রের পানির উচ্চতা ৬ মিটার বাড়তে পারে!‘জার্মানি-বাংলাদেশ সহযোগিতা চুক্তি ভালোই কাজ করছে'জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তৎপর বাংলাদেশজলবায়ু পরিবর্তন না ঠেকালে দারিদ্র্যের সংখ্যা বাড়বে২০৫০ সালে বাংলাদেশের ৫৩ লাখ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হবেপ্রমাকে আরো স্বনির্ভর করে তুলেছে জার্মানিএবার সুন্দরবনের আশেপাশের বাসিন্দারা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতেআমার দেখা ‘ভাসমান স্কুল’বাংলাদেশের ‘ভাসমান স্কুল’ এখন বিশ্ব মডেল ‘ব্রি’ উদ্ভাবিত কয়েকটি ধানের জাতজলবায়ু পরিবর্তন চোখ রাঙাচ্ছে স্ট্যাচু অফ লিবার্টিকেঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব সরে যাচ্ছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকা থেকেবিশ্বব্যাপী বিপর্যয়ের পূর্বাভাষ, ব্যবস্থা নিচ্ছেন ওবামাবাংলাদেশের কৃষকদের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পবাংলাদেশে নদী সংরক্ষণে জার্মান সহায়তাবৈশ্বিক উষ্ণায়নের মোকাবিলা কঠিন নয়: আইপিসিসিবৈশ্বিক উষ্ণায়ন: ফুরিয়ে আসছে প্রতিশ্রুতি রক্ষার সময় আবহাওয়ার দুর্যোগ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষুধা, সংঘাত বাড়ার আশঙ্কাজলবায়ু পরিবর্তনের খোঁজ রাখতে স্যাটেলাইটবাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নতুন নয়স্বাক্ষরিত হলো ভারত-জার্মান ‘গ্রিন এনার্জি’ চুক্তিভারত ও বাংলাদেশের জীবনরেখা তিস্তাদোহায় জলবায়ু সম্মেলন শেষ হচ্ছে শুক্রবারবাংলাদেশ-জার্মানি জলবায়ু চুক্তি সইবাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় ইইউ তহবিলজলবায়ুর পরিবর্তনে মরতে পারে ৪ লাখ শিশুজলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বিপন্ন উপমহাদেশের জনজীবনজলবায়ু পরিবর্তনে অধিক ক্ষতির মুখে নগর সভ্যতা বাংলাদেশে হারিয়ে যাচ্ছে নানা প্রজাতির পাখিকোপেনহেগেনে বাংলাদেশের শিশুরাক্ষতিপূরণের ১৫ শতাংশ দাবি করেছে বাংলাদেশবন্যা সহিষ্ণু ধান পরীক্ষার চূড়ান্ত পর্যায়ে বাংলাদেশ

প্রাণী বলতে স্তন্যপায়ী জীব, পাখি, সরীসৃপ, মাছ, এক কথায় সব কিছু কমে গেছে৷ হ্রাসের পরিমাণ ১৯৭০ সাল যাবৎ প্রায় ৫০ শতাংশ৷ ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড বুধবার জানায় এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা৷

ডাব্লিউডাব্লিউএফ-এর নতুন রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, মাত্রাধিক মাছ ধরা, সেই সঙ্গে দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ১৯৭০ থেকে ২০১০, এই চল্লিশ বছরে সাগরে তথাকথিত কমার্সিয়াল ফিশ স্টক বা বাণিজ্যিক মাছের পরিমাণ বিপুলভাবে কমে গেছে৷ লিভিং ব্লু প্ল্যানেট রিপোর্টের বক্তব্য হলো, যে সব মাছ বিশ্বের খাদ্য সরবরাহের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলিই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে৷

যেমন টুনা আর ম্যাকারেল মাছ কমেছে ৭৪ শতাংশ৷ একদিকে মাছেদের প্রজনন প্রক্রিয়ার চেয়ে দ্রুততর হারে মাছ ধরা হচ্ছে; অন্যদিকে তাদের ডিম পাড়ার জায়গাগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে – বলেছেন ডাব্লিউডাব্লিউএফ ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রধান মার্কো লাম্বেরতিনি৷ এছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র মানবগোষ্ঠীদেরই এর মূল্য চোকাতে হচ্ছে, কেননা তারাই তাদের জীবিকার জন্য সাগরের ওপরে নির্ভর৷

শুধু মাছই নয়, সেই সঙ্গে প্রবাল দ্বীপ, ম্যানগ্রোভ বা শ্বাসমূল অরণ্য এবং সামুদ্রিক ঘাস, সব কিছু উধাও হচ্ছে৷ মনে রাখা দরকার, মাছেদের এক তৃতীয়াংশ এই সব প্রবাল দ্বীপের উপর নির্ভর, যেমন পৃথিবীর প্রায় ৮৫ কোটি মানুষের জীবিকা সামুদ্রিক মাছেদের উপর নির্ভর৷ প্রবাল দ্বীপগুলোর অর্ধেক ইতিমধ্যে অন্তর্হিত হয়েছে, এবং বিশ্বের উষ্ণায়ন চলতে থাকলে, বাকি অর্ধেকও ২০৫০ সালের মধ্যে উধাও হবে৷ হাঙর ও স্টিং রে গোত্রীয় মাছেদের প্রতিটি চারটে প্রজাতির মধ্যে একটি আজ বিলুপ্ত হওয়ার মুখে৷

ডাব্লিউডাব্লিউএফ-এর পক্ষে বিশ্বের নেতৃ – তথা সরকারবর্গের প্রতি আবেদন জানানো ছাড়া আর বিশেষ কিছু করার নেই৷ তবে রিপোর্টে সুরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকার পরিমাণ ২০২০ সালের মধ্যে বর্তমান তিন দশমিক চার শতাংশ থেকে তিনগুণ বাড়ানোর ডাক দেওয়া হয়েছে৷ ‘‘সমুদ্রে যে গতিতে পরিবর্তন ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে, আর নষ্ট করার মতো সময় নেই'', বলেছেন লাম্বেরতিনি৷ ‘‘আমাদের জীবদ্দশাতেই এই সব পরিবর্তন ঘটছে৷ আমাদের এখনই পথ বদলাতে হবে এবং আমরা তা করার ক্ষমতা রাখি৷'' ।ডচভেলে।

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ২৩:৪৫:১৬