‘রিসেন্ট পাস্ট যেটা আমার পক্ষে মেনে নেওয়া ডিফিকাল্ট’: মিমি
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
মানুষের জীবনে ভালো খারাপ সব মিলিয়ে মিশিয়েই থাকে। সেলেবদের জীবন তাঁর ব্যতিক্রমী নয়। বাস্তবটা হল সাধারণ মানুষের খবর হেডলাইনে আসে না সেলেব দের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে মিমি তো বেশ ভালোই ছিলেন তাঁর নতুন ছবি ‘ক্রিসক্রস’র প্রমোশন নিয়ে,হটাৎ পাস্টের প্রসঙ্গ এলো কোথা থেকে। খোলসা করা যাক বিষয়টা।

পাস্টের বিষয়টা এসেছে তাঁর প্রমোশনের একটা ভিডিও থেকেই। এই ছবিতে তাঁর চরিত্র একজন ফটো জার্নালিস্টের। এই প্রসঙ্গেই মিমি জানিয়েছেন, ”সকল সাংবাদিক বন্ধুরাই আমার এই চরিত্র করার ইন্সপিরেশন যুগিয়েছেন।কিন্তু যখন একটা ভালো ছবি দিয়ে আমার সম্বন্ধে একটা ভালো খবর ছাপা হয় তখন খুবই ভালো লাগে, কিন্তু যখন একটা বড় ছবি দিয়ে ভুল খবর ছাপা হয় তখন তার থেকে খারাপ লাগা আর কিছু হয়না। আমার বাড়িতেও বাবা মা আছেন, এসব ভুল খবরের জন্য বাড়ির লোকেদের কেও নানা কথার জবাব দিতে হয়,এবং তারাও টেনশনে থাকেন। আমিও মানুষ আমারও কান্না আসে তবে এটাই বলব ভালো খারাপ সব মানুষের জীবনেই থাকে। এর থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। অনেক কিছু এমন জিনিষ হয়েছে, যেমন রিসেন্ট পাস্ট যেটা আমার পক্ষে মেনে নেওয়া খুবই অসম্ভব”।

তবে এই ছবির প্রমোশনের সঙ্গে তার পাস্টের কি সম্পর্ক তা বোঝা গেল না। পাস্টের কথা সামনে এনে তিনি কোন বিষয় ইঙ্গিত করতে চাইলেন সেটা সিক্রেটই রেখেছেন। তাই এ বিষয় নিয়ে আমরাও কোন মন্তব্য করতে চাইনা। বিষয় টি তাহলে সিক্রেটই থাক।

প্রসঙ্গত, পাঁচটি মেয়ে৷ পাঁচটি জীবন নিয়েই এই ছবির গল্প৷ প্রত্যেকে আটকে একটা জায়গায়৷ লড়াই করে সমাজে নিজের জায়গা অর্জন করে নেওয়ার জেদে আটকে তারা৷ যেখানে অসংখ্য বাঁধা পেরিয়ে পৌঁছতে হবে এক নতুন দেশে৷ স্বাধীনতার দেশে৷ যেখানে গতানুগতিক মহিলার জীবন থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা রয়েছে৷ ইরা, সুজি, মিস সেন, রূপা, মেহের৷ পাঁচটি মেয়ের গল্প নিয়ে মুক্তি পেয়েছিল ‘ক্রিসক্রস’র টিজার৷ আর সেই টিজারে দর্শক পেয়েছে মেয়েদের এক অভিনব কাহিনি৷ পরিচালক বিরসা দাসগুপ্তের হাত ধরে টলিউডে পাড়ি দিল ওম্যানহুড৷

ইরার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিমি চক্রবর্তী৷ পেশায় একজন ফোটোগ্রাফার৷ ফোটোগ্রাফিই তার প্যাশন৷ কিন্তু সমস্যা ইরার বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে৷ বয়ফ্রেন্ডের চরিত্রে রয়েছেন অর্জুন চক্রবর্তী৷ যে একেবারেই ইরার পেশাগত জগৎটাকে বুঝতে চায় না৷ এমনকি আল্টিমেটামও দেয় ইরাকে সে, “হয় অফিস নয় আমি”৷ তবে এসব হুমকি দমে যাওয়ার মেয়ে ইরা নয়৷ বিয়ের পর কাজ ছেড়ে সারাটা জীবন নষ্ট করতে চায় না সে৷

সমাজের ঝকঝকে উঁচু স্তরের মানুষদের মধ্যে মিস সেন একজন৷ সাফল্য তার পিছু পিছু যায়৷ তবে এই দামী বাড়ি গাড়ির মধ্যেও রয়েছে বিষাদ৷ সফিস্টিকেটেড মুখোশের আড়ালে একাকী মিস সেন৷ এই চরিত্রে রয়েছেন জয়া এহসান৷

ঘরোয়া মেয়ে রূপা৷ নিজের সবটা দিয়ে শ্বশুর বাড়ির যোগ্য বউমা হওয়ার চেষ্টায় পড়ে থাকে সারাদিন৷ কিন্তু স্বামীর অত্যাচার, শাশুড়ির কটূক্তি শুনে যেতে হয় তাঁকে৷ অন্যদিকে দেওরের কুনজর এড়াতেও কম ঝক্কি পোয়াতে হয়না তাকে৷ রূপার ভূমিকায় সোহিনী সরকার৷

প্রিয়াঙ্কা সরকার রয়েছেন একজন সিঙ্গেল মাদারের চরিত্রে৷ নাম সুজি৷ ছেলেকে নিয়ে কমবয়সী মেয়ে বিভিন্ন কারণে বিপদে পড়তে থাকে তাকে৷ টিজারে এক মদ্যপ ব্যক্তির অত্যাচারও সহ্য করতে হয় সুজিকে৷ এসমস্ত ঝামেলার মধ্যে নষ্ট হচ্ছে তাঁর ছেলের ভবিষ্যৎ৷ সুজিকে সেই চিন্তায় কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে প্রতিনিয়ত৷

অবশেষে আসা যাক মেহেরের কথায়৷ যার দুই চোখে একটাই স্বপ্ন৷ অভিনেত্রী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এগিয়ে চলেছে মেহের৷ কিন্তু সমাজের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য থেকে মেহেরেরও নিস্তার নেই৷ অভিনয় নুসরত জাহান৷

 

০৭ আগস্ট, ২০১৮ ০৯:৩৩:৩৬