জেলে ঢুকতেই হাউহাউ করে কেঁদে ভাসালেন সালমান
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট


২০ বছর পর বিচার পেল অবলা কৃষ্ণসার। গারদের ওপারে সলমন খান। আজ বৃহস্পতিবার যোধপুর আদালতে শুনানি হল কৃষ্ণসার হত্যা মামলার। বিচারে ৫ বছরের কারাদন্ড হয়েছে ‘ভাইজান’-এর। দুঁদে আইনজীবীর হাজার চেষ্ঠা সত্ত্বেও মেলেনি জামিন। আদালত থেকে সোজা ‘ডেভিল’কে নিয়ে যাওয়া হয় যোধপুর সেন্টাল জেলে। সূত্রের খবর, জেলে ঢুকেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেছেন সল্লু। আর তাঁকে এমন অবস্থায় দেখে নিজেদের সামলাতে পারেনি তাঁর দুই বোন অর্পিতা ও আলভিরা।

জোধপুর সেন্ট্রাল জেলে ধর্ষণের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আশারাম বাপুর সঙ্গে একই ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে অভিনেতাকে। জোধপুরের ডিআইজি (জেল) বিক্রম সিংহ জানিয়েছেন, ” জেলে বিশেষ নিরাপত্তা বিশিষ্ট ওয়ার্ডেই রাখা হবে সলমনকে। তবে তিনি কোনও বাড়তি সুবিধা পাবেন না। অন্য বন্দিদের মতোই খাবার দেওয়া হবে তাঁকে।”

নিন্দুকেরা বলছেন, কোনও অনুশোচনা নয়! রাজকীয় জীবনযাপন ছেড়ে সাধারন মানুষের মতো থাকতে হবে, ভেবেই কাঁদছেন সলমন। গোটাটাই নাটক”। তবে একথা সবাই জানে সলমের কাছে তাঁর পরিবারের গুরুত্ব কতটা। মনে করা হচ্ছে, “পরিবার থেকে দূরে থাকতে হবে এটা ভেবেই ভেঙে পড়েছেন ভাইজান”। যদিও শোনা যাচ্ছে, কাল ১০:৩০ মিলবে জামিন।

এর আগে এই মামলায় ১৯৯৮, ২০০৬ ও ২০০৭ সালে মোট ১৮ দিন জোধপুর সেন্ট্রাল জেলে কাটাতে হয়েছিল সলমনকে। তিনি তখন নোংরা শৌচাগারের কথা জানিয়েছিলেন। আজ সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিআইজি জানিয়েছেন, “সলমনকে যে ওয়ার্ডে রাখা হবে, সেখানকার শৌচাগার ভালো”। তবে তা হিরোর পছন্দ হয় কিনা তাই দেখার।

১৯৯৮ সালে সলমন, সেফ, তব্বু, নীলম ও সোনালি হাম সাথ সাথ হ্যায় ছবির শ্যুটিংয়ে যোধপুর গিয়েছিলেন। অভিযোগ, শ্যুটিং চলাকালীন ১ ও ২ অক্টোবরের রাতে আলাদা আলাদা দুটি জায়গায় সলমন কৃষ্ণসার শিকার করেন। কাঙ্কাণি গ্রামে তাঁর বিরুদ্ধে যে দুটি কৃষ্ণসার শিকারের অভিযোগ রয়েছে, তারই আজ রায় দিল আদালত।



 


০৫ এপ্রিল, ২০১৮ ২০:০৭:৫৬