কেমন হল নতুন ‘এক দো তিন’? মাধুরীর কাছে জানতে চেয়ে বিড়ম্বনায় জ্যাকলিন
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
মোহিনী মাধুরী হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের সকল চেষ্টা অপচেষ্টা হয়ে গিয়েছে। এমন জঘন্য রিমেক আগে কেউ কখনও দেখিন। তা স্বয়ং মাধুরী কী বলছেন। জানতে সাধ হয় বইকি। সেই কারণেই পূর্বসূরীর কাছে প্রশ্ন রেখেছিলেন জ্যাকলিন। আর তার জন্য বেজায় বিড়ম্বনায় পড়তে হল তাঁকে।

‘বাঘি-২’ ছবিতে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে আইকনিক ‘এক দো তিন’ গানটিকে। যেখানে মোহিনী মাধুরী হওয়ার চেষ্টা করেছেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। কিন্তু সকলে একবাক্যে বলেছেন, এমন চেষ্টা তিনি না করলেই পারতেন। কোথায় সেই মাধুরীর লাস্য, সৌন্দর্য! কোথায় সেই লাবণ্য! আর কোথায় বা নাচের সেই মিষ্টি ব্যাপার, যাতে মোহাবিষ্ট হয়েছিল তামাম দর্শক। রিংটোনের যুগ চালু হওয়ার আগেই যে সুর বহুজনের মনে রিংটোন হয়ে উঠেছিল, সে গান যে এমন পর্যায়ে যেতে পারে তা বোধহয় কেউ কল্পনাও করেননি।জ্যাকলিনের চেষ্টার কোনও ত্রুটি ছিল না। কিন্তু এ গানে যে লাবণ্য ও দক্ষতার মাত্রা মাধুরী রেখে গিয়েছেন, তা টপকে যাওয়া সম্ভব নয়। মাধুরীর মতো নাচে দক্ষ অভিনেত্রীর পারফরম্যান্সের সামনে জ্যাকলিনের কষ্টকর চেষ্টা হাস্যকর হয়ে উঠেছে। মুখে হাসি ধরে রেখে তিনি যা করেছেন, তা জবরদস্ত শারীরিক কসরত হতে পারে, কিন্তু মাধুরীর ছিটেফোঁটা নেই তাতে। এই নাচের জন্য কোরিওগ্রাফার সরোজ খানের কাছে প্রায় মাসখানেক পড়েছিলেন মাধুরী। এতটাই তাঁর ডেডিকেশন। এদিকে সরোজ খানও এ গানের এহেন হাল থেকে দুঃখিত। তিনিই এন চন্দ্রকে খবর দেন। তারপরই চটে লাল ‘তেজাব’ পরিচালক। নয়া গানের বিরুদ্ধে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে চলেছেন বলেই সূত্রের খবর। পরিচালক এতটাই হতাশ যে, এই গান থেকে তাঁর মন্তব্য, এ যেন সেন্ট্রাল পার্ককে বোটানিক্যাল গার্ডেন করে তোলা হয়েছে। আরও বিস্ফোরক হয়ে তিনি জানিয়েছেন গোটা নাচটাই কুৎসিত এবং যৌনসর্বস্ব।

বিড়ম্বনার এখানেই শেষ নয়। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নিজের নাচ নিয়ে মাধুরীর কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিলেন জ্যাকলিন। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, অভিনেত্রী তাতে কর্ণপাত করেননি। কোনও উত্তর না দিয়ে অবজ্ঞা করেছেন। সমালোচক থেকে সাধারণ দর্শক কেউই তো রেয়াত করছেন না। এবার মাধুরীর এই নিরুত্তর থাকা যেন কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দিল।

 

২৩ মার্চ, ২০১৮ ১১:৫৮:৪৮