'ওরাও পর্নো মুভি দেখে, কিন্তু ভদ্রতার সীমারেখা জানে'
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
মডেল অভিনেত্রী মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি
আমি বলছি না, ওরা তুলসী পাতা ধোয়া মানুষ। ওরাও তাকায় কিন্তু আমরা দেখতে পাইনা। ওরাও পর্নো মুভি দেখে, গার্লফ্রেন্ডদের নিয়ে বিছানায় যায়। কিন্তু, একই সময় তারা তাদের ভদ্রতার সীমারেখা জানে, চোখ কন্ট্রোল করতে জানে, সম্মান করতে জানে যেন কেউ তার বা তাদের পাশে অস্বস্তি অনুভব না করে এবং পাশের মানুষ যেন তার/তাদের পাশে নিরাপদ ও সিকিউর ফিল করে। বললেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মডেল অভিনেত্রী মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি।খবর আরটিভি অনলাইন'র। 

বুধবার নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, আমার চেস্ট এই ফেসবুকে নতুন কিছু না। আমার চেস্ট বা খোলামেলা অনেক ফটোশুট অলরেডি এই নেট দুনিয়াতে আছে। নতুন করে পুরানো কিছু কথা আবারো বলতে চাচ্ছি। ভিডিওতে আপনারা দেখছেন আমার পেছনে ও পাশে কিছু পুরুষ মানুষ আর সামনে পুরো দেয়াল জুড়ে আয়না। চাইলেই উনারা আমার পাছার দিকে আর আয়না দিয়ে আমার বুকের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারে, চোখে চোখ পড়তে পারে, অথচ আমি নিজ চোখে একজনকেও দেখলাম না আমার দিকে কেউ তাকিয়েছে, বাজে দৃষ্টি তো দূরের কথা।

তিনি লিখেছেন, আপনারা কি পারেন না, আপনার বিপরীত লিঙ্গকে দেখার দৃষ্টি ভঙ্গি বদলাতে? পারেন না, চোখকে কন্ট্রোল করতে? পারেন না, পাশের মানুষটি যেন আপনার পাশে অস্বস্তি ফিল না করে সেই দিকে খেয়াল রাখতে? অন্তত শিক্ষিত সমাজের কাছে তো এইটুকু আশা করা যায়। অবশ্যই পারেন, যদি আপনি চান। কারণ, চোখ আপনার, মন আপনার, মস্তিষ্কও আপনার এবং আর এগুলোর নিয়ন্ত্রণ করার মালিকও আপনি। দরকার শুধু নিজের সাথে নিজেই চর্চা করার, নিজেকে আয়ত্তে আনার।

ভিডিওটি গোপনভাবে তোলা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারো অনুমতি ছাড়া কারও ভিডিও বা ছবি তোলা আইনগতভাবে অন্যায়, কেউ চাইলে আমাকে কোর্ট পর্যন্ত নিতে পারে। কিন্তু আমার উদ্দেশ্য সৎ, একটি ম্যাসেজ দেয়া। নট ফর ফান অর হিউমিলেট এনিওয়ান। 

মডেলিং ও অভিনয় জীবনে প্রিয়তি অর্জন করেছেন অনেক স্বীকৃতি ও পুরস্কার। তার মধ্যে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে ইন্টারন্যাশনাল রানওয়ে কুইন্স রিকগনেশন অ্যাওয়ার্ডসে পুরস্কৃত হন আলোচিত্র এ মডেল। 

এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে মিস ইউনিভার্সাল রয়্যালটি ২০১৩, আয়ারল্যান্ডে মিস আয়ারল্যান্ড ২০১৪, মিস হট চকোলেট ২০১৪, মিস ফটোজেনিক ২০১৪, সুপার মডেল অব দ্য ইয়ার ২০১৪, মিস আয়ারল্যান্ড আর্থ ২০১৫ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় মিস আর্থ হিসেবে প্রথম রানার-আপ ২০১৬, মিস কমপ্যাশনেট ২০১৬, মিস বেস্ট গাউন ২০১৬, মিস ফিটনেস ২০১৬ হয়েছেন।

২৭ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০৪:২৯