বিয়ের খবর ফাঁস : মুকুট হারাচ্ছেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ এভ্রিল
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ বিজয়ী জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল বিবাহিত! খোঁজ-খবর নিয়ে এমনটাই জানা গেছে। চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ৫ নম্বর বরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমকে এভ্রিলের বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া এভ্রিলের বিয়ের কয়েকটি আলোকচিত্রও গণমাধ্যমে এসেছে। বিয়ের কাবিননামা ছিল ৮ লাখ টাকা। যার উসুল ধরা হয় তিন লাখ টাকা। এভ্রিলের স্বামী একজন মাদ্রাসার ছাত্র। নাম মোহাম্মদ মুনজুর উদ্দীন। তবে তারা এখন আর স্বামী-স্ত্রী নন। তাদের বিচ্ছেদও ঘটে গেছে। এভ্রিলের জন্ম চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার পাঁচ নম্বর বরমা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। তারা দুই ভাই ও দুই বোন। এভ্রিলের বিয়ের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ৫নং বরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, এভ্রিলের বিয়ে হয়েছিল। সে সংসার বেশিদিন টেকেনি শুনেছিলাম। এছাড়া একবার চট্টগ্রামের একটি হোটেলে রেড করার পর তাকে নাকি আটকও করা হয়েছিল। তবে ডিভোর্সের পর আর তার কোনো খোঁজ-খবর জানি না। অন্যদিকে, জান্নাতুলের সাবেক স্বামী মোহাম্মদ মুনজুর উদ্দীন জানান, তার সঙ্গে জান্নাতুল নাঈমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর দুই মাস জান্নাতুল তাদের বাড়িতে ছিল। এরপর বাপের বাড়িতে নাইওর যায়। দুদিন পর এক রাতে জান্নাতুলের বাবা ফোন করে বলেন, মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে খুঁজে বের করতে বলেন। কিন্তু জান্নাতুলকে খুঁজে বের করতে মুনজুর রাজি হয়নি। মুনজুর উদ্দীন আরও বলেন, কিন্তু পরদিন সকালে জান্নাতুল তাকে ফোন করে ডিভোর্স দিতে বলেন। অন্যথায় সে নিজেই ডির্ভোস দেবেন। ডিভোর্সের জন্য মঞ্জুর সপ্তাহখানেক অপেক্ষা করে। পরে দুই পক্ষের সমঝোতায় নগরের লালদীঘি পারের একটি হোটেলে ২০১৩ সালের ১১ জুন কাজির উপস্থিতিতে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ ঘটে।   এদিকে, জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে নিয়ে নিত্য নতুন গুঞ্জন ডালপালা মেলছে। ঝড় বইয়ে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সবার একটাই প্রশ্ন এ ধরনের একটি প্রতিযোগিতাকে কেন কলুষিত করা হলো? মিস ওয়ার্ল্ড-এর মতো একটি প্রতিযোগিতায় যাকে পাঠানো হচ্ছে সে কিভাবে 'মিসেস' হতে পারেন। নিত্য-নতুন প্রশ্ন ঘিরে ক্ষত-বিক্ষত আয়োজক কর্তৃপক্ষ। কেউ কেউ বলছেন, এভ্রিলকে ঘিরে হয়তো কারও মুখরোচক গল্প পাঠকের জন্য অপেক্ষা করছে।  

 

০৩ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:৫৫:৩২