২০১৬ সালে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি আয়কারী হলিউডের ১০ সিনেমা
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা শিল্প হলিউড এ বছরও বিশ্বব্যাপী বিশাল আয় করেছে। এবার হলিউড গত বছরের আয়ের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।

২০১৬-তে বিশ্বব্যাপী হলিউডি সিনেমার প্রদর্শন থেকে আয় হয়েছে ১১.১ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ১,১১০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ৮৬,৯৪৭ কোটি টাকা। 

হলিউডের এই আয়ের পেছনে প্রধান অবদান রেখেছে শীর্ষ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ডিজনি। শুধু ডিজনির সিনেমাগুলো থেকেই আয় হয়েছে ৭ বিলিয়ন ডলার। ডিজনির তিনটি সিনেমা- “ক্যাপ্টেন অ্যামেরিকা: সিভিল ওয়ার”, “ফাইন্ডিং ডোরি”, এবং “জুটোপিয়া” সবচেয়ে বেশি আয় করেছে। প্রতিটি সিনেমা ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। 

বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি আয়কারী ১০টি সিনেমার পাঁচটিই ডিজনির তৈরি। যা আভ্যন্তরীণভাবে শীর্ষ ১০টির ছয়টি। 

টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্সের “ডেডপুল”, ওয়ার্নার ব্রসের ডিসি কমিকস “ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান: ডন অফ জাস্টিস” এবং “সুইসাইড স্কোয়াড”ও রয়েছে এই তালিকায়। 

নিচে ২০১৬ সালে বিশ্বব্যাপী শীর্ষ আয়কারী ১০ শীর্ষ সিনেমার তালিকা দেওয়া হলো। ১০ নম্বরে থাকা “রৌগ ওয়ান: অ্যা স্টার ওয়ার্স স্টোরি” সামনের দিনুগলোতে তালিকার আরো ওপরের দিকে উঠতে থাকবে। 

১০. “রৌগ ওয়ান: অ্যা স্টার ওয়ার্স স্টোরি”- ৬৭৫ মিলিয়ন ডলার। শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সিনেমাটির আয় হয়েছে ৪০০ মিলিয়ন ডলার। সিনেমাটি সবে মাত্র মুক্তি পেয়েছে। ফলে এর আয় আরো বাড়তে থাকবে। 

৯. “সুসাইড স্কোয়াড”- ৭৪৫.৬ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এর আয় ৩৬৩ মিলিয়ন। আর বিশ্ববাজারে আয় করেছে ৪০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। 

৮. “ফ্যান্টাস্টিক বিস্টস অ্যান্ড হোয়ার টু ফাইন্ড দেম”- ৭৪৬.১ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে আয় করেছে ২১৭.৩ মিলিয়ন ডলার। এখনো থিয়েটারে চলছে। ফলে এর আয়ও বাড়বে। 

৭. “ডেডপুল”- ৭৮৩.১ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে আয় করেছে ৩৬৩ মিলিয়ন ডলার। 

৬. ““ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান: ডন অফ জাস্টিস”- ৮৭৩.২ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে আয় ৩৩০.৩ মিলিয়ন। 

৫. “দ্য সিক্রেট লাইফ অফ পেটস”- ৮৭৫.৪ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের আভ্যন্তরীন বাজারে আয় ৩৬৮.৩ মিলিয়ন ডলার।

৪. “দ্য জাঙ্গল বুক”- ৯৬৬.৫ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে আয় ৩৬৪ মিলিয়ন ডলার। 

৩. “জুটোপিয়া”- ১.০২৩ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে আয় ৩৪১.২ মিলিয়ন। 

২. “ফাইন্ডিং ডোরি”- ১.০২৭ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে আয় ৪৮৬.২ মিলিয়ন ডলার। 

১. “ক্যাপ্টেন অ্যামেরিকা: সিভিল ওয়ার” এর আয় ছিল ১.১৫৩ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে আয় করেছে ৪০৮ মিলিয়ন। 

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১২:২৬:৩৮