‘শিক্ষকরা প্রশ্ন ফাঁস করছেন’, অসহায় সরকার
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
প্রশ্ন ফাঁসে বিপর্যস্ত বাংলাদেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা৷ প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত এই সিলসিলা চলছেই৷ ফলে বিব্রত সরকার৷ যথেষ্ট সুরক্ষার দাবি করলেও কার্যত সব বিফলে গিয়েছে৷ শেষপর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেই ফেললেন কিছু শিক্ষকের কারণেই প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, প্রাথমিকস্তরের ফাইনাল পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস, ভুলে ভরা প্রশ্ন নিয়ে সমালোচনা থামতে না থামতেই এবার প্রশ্নফাঁসের কারণে বাতিল করতে হয়েছে বরগুনার শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা। তাতেই বিব্রত সরকার৷ ফেসবুকে শনিবার রাতে ফাঁস হয় প্রশ্নপত্র। এরপর বাতিল করা হয় শতাধিক বিদ্যালয়ের অংক পরীক্ষা৷

এই নিয়ে চলতি মাসে চতুর্থ দফায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটলো বরগুনাতে। গত ৯ই ডিসেম্বর বরগুনা সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিতের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। এরপর ১২ ও ১৩ই ডিসেম্বর বরগুনা সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও চতুর্থ শ্রেণীর তিনটি বিষয়ের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়। সেসময় সদর উপজেলার ২৪৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, গত কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের খবর সংবাদ মাধ্যমে এলেও এবার এর ব্যাপকতা পৌঁছেছে প্রাথমিক স্তরে। শিক্ষা মন্ত্রকের নানা উদ্যোগের পরও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনেক বিষয়ের প্রশ্ন পরীক্ষা শুরুর আগেই ছড়িয়ে পড়েছিল সোশ্যাল সাইটে৷

শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ জানিয়েছেন কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষকদের লোভ দেখায়৷ যে কোনোভাবে প্রশ্ন ফাঁস করে তাদের শিক্ষার্থীদের ভালো ফল করাতে পাড়লে কোচিং ব্যবসা ভালো হবে। টাকা আয়ের পরিমাণটাও বাড়বে। এসব লোভের কারণে শিক্ষকরাই কোচিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে।

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৩:০০:৪৮