একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ: আবেদন শুরু আজ ভর্তি শুরু ২০ জুন
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট
চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন গ্রহণ আজ ৯ মে থেকে শুরু হবে। শেষ হবে ২৬ মে। এ সময়ের মধ্যে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদেরও কলেজে ভর্তির আবেদন করতে হবে। তবে পুনঃনিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তিত হবে তাদের ৩০ ও ৩১ মে এই দুই দিনের মধ্যে আবারও আবেদন করতে হবে। অনলাইনের জন্য www.xiclassadmission.gov.bd ঠিকানায় ও টেলিটকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২০ জুন থেকে সব শিক্ষার্থীর ভর্তি শুরু হবে। ভর্তির কাজ শেষ করে ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে। এবারও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের নাম পছন্দের তালিকায় দিতে পারবে শিক্ষার্থীরা। অনলাইনের ক্ষেত্রে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে হবে। আর এসএমএসের মাধ্যমে প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১২০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। এমন সব বিধান রেখে একাদশ শ্রেণিতে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা গতকাল জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। এবার এ পরীক্ষায় ১০ বোর্ডে পাস করেছে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন। এর মধ্যে আট বোর্ডের অধীন এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৭ হাজার ৯৬৪ জন। ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী যতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। প্রথম পর্যায়ে একাদশে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ৫ জুন তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর ৬ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত শিক্ষার্থীর কলেজ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৯ থেকে ১০ জুন মাইগ্রেশন ও নতুন আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হবে এবং ১৩ জুন ফল প্রকাশ করা হবে। এ পর্যায়ে শিক্ষার্থীর কলেজ নিশ্চিতকরণের সময় হচ্ছে ১৪ ও ১৫ জুন। আর তৃতীয় পর্যায়ের মাইগ্রেশন ও নতুন আবেদন শুরু হবে ১৬ ও ১৭ জুন এবং ১৮ জুন ফল প্রকাশ করা হবে। এ পর্যায়ে শিক্ষার্থীর কলেজ নিশ্চিতকরণ ১৯ জুন পর্যন্ত চলবে। এরপর ২০ থেকে ২২ জুন এবং ২৮ ও ২৯ জুন এই পাঁচ দিন সব কলেজে ভর্তি চলবে। নীতিমালা অনুযায়ী একবারই যেন শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তি হতে পারে সে জন্য এবার একটি মাত্র কলেজে ১৮৫ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দিয়ে ভর্তির সুযোগ রাখা হচ্ছে। কলেজ চূড়ান্ত হওয়ার পরই শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের ফি জমা দেবে। এবার পছন্দের ১০টি কলেজে মেধা অনুযায়ী যদি কোনো শিক্ষার্থী প্রথমবার তালিকায় স্থান না পায়, তাহলে তাকে দ্বিতীয়বারের তালিকার জন্য পুনরায় আবেদন করতে হবে। তবে কেউ যদি কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সেখানে পড়তে না চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই মাইগ্রেশনের জন্য আবেদন করতে হবে। তবে ভর্তি ফি একবারই নেওয়া হবে। এবার ভর্তি ফি আগের মতোই রাখা হয়েছে। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল ও পৌর (উপজেলা) এলাকায় এক হাজার টাকা, জেলা সদরে দুই হাজার টাকা এবং ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি হবে না। আর ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে পাঁচ হাজার টাকার বেশি নেওয়া যাবে না। আর ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় আংশিক এমপিওভুক্ত এবং এমপিওবর্হিভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন ফি ও এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাবদ এবং সেশন চার্জসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন খাতে কোনো প্রতিষ্ঠান তিন হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না।

 

০৮ মে, ২০১৭ ০৯:১২:৫৯