পাঠ্যপুস্তকে ভুল : এনসিটিবির ২ কর্মকর্তা ওএসডি
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
অ+ অ-প্রিন্ট
চলতি শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তকে ভুলত্রুটির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অপরদিকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী এনসিটিবির দুই কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।  

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে এনসিটিবি’র প্রধান সম্পাদক প্রীতিশ কুমার সরকার ও ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ লানা হুমায়রা খানকে ওএসডি করা হয়েছে।   

পাঠ্যপুস্তকে ভুলত্রুটি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকার পরই এ সব পদক্ষেপ নেওয়া হল।    

এদিকে, দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।   

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রুহী রহমানকে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে। এ কমিটির অপর দুই সদস্য হচ্ছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব মাহমুদুল ইসলাম ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক) মো. ইলিয়াস হাসেন।   

কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের অধীনে প্রকাশিত ২০১৭ সালের পাঠ্যপুস্তকে ভুলত্রুটি নির্ণয় ও এসব ভুলত্রুটির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে যথাযথ সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, লানা হুমায়রা খান তৃতীয় শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’ পরিমার্জনের দায়িত্বে ছিলেন। এই বইয়েই ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতাটি ভুলভাবে ছাপা হয়েছে। তার কারণেই এই ভুলটি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে প্রধান সম্পাদক হিসেবে প্রীতিশ কুমার সরকারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কারণ, প্রধান সম্পাদক হিসেবে তার দায় আছে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।  

ইতোমধ্যে জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (অর্থ) অধ্যাপক কাজী আবুল কালামকে আহ্বায়ক করে গঠিত তিন সদস্যের কমিটিকে ভুলত্রুটি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ কমিটির প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ২ কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে।

০৯ জানুয়ারি, ২০১৭ ২০:১৭:৫৫