খুলনায় ডিজিটাল পাট পল্লীর উদ্যোগ বাড়বে পাটের তৈরি পণ্যের চাহিদা
মাওলা বকস, খুলনা
অ+ অ-প্রিন্ট
খুলনায় ‘ডিজিটাল পাট পল্লীর হাট’ করার ইচ্ছা রয়েছে। যেখানে দেশের সোনালী আঁশ পাটের তৈরি সকল পণ্যের প্রদর্শন করা হবে। নারী উদ্যোক্তাদের নিয়েই করা হবে এ কাজ। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে (ফেসবুক) সরাসরি ডিজিটাল পল্লীটি দেখানোর ব্যবস্থা থাকবে। এতে করে পাট পণ্যের ব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষ আরও বেশি জানবে। বাড়বে পাটের তৈরি পণ্যের চাহিদা। 

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট থেকে সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় শ্রেষ্ঠ জয়িতার গৌরব অর্জন করা পাইকগাছার মেয়ে ও দৌলতপুরের পুত্রবধূ ছাকেরা বানু এক সাক্ষাৎকারে এ প্রতিবেদককে এসব বলেন। তিনি বর্তমানে ১০টি প্রতিষ্ঠানের সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছেন। কাজ করছেন পাট পণ্য ব্যবহার ও প্রসার নিয়ে, বাল্য বিবাহ বন্ধ ও নারী বৈষম্য দূরীকরণ. পরিবেশ নিয়ে সেফটি ও এন্ড সিকিউরিটি এবং আত্মকর্মসংস্থানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি নিয়ে। 

পাইকগাছার বাতিখালি গ্রামের শহীদ শেখ মাহতার উদ্দিন এবং হোসনেআরার মেয়ে গত দেড় যুগেরও বেশি সময় তিনি এ সকল কর্মকান্ডের মাধ্যমে সমাজে বিশেষ অবদান রাখার চেষ্টা করছেন। মায়ের অনুসরণ এবং প্রয়াত স্বামী কাজী কামরুল ইসলাম তাকে সামাজিক কাজ করতে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।  ১৯৯২ সালেই দৌলতপুর দিবা-নৈশ কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। ২০১৮ সালের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকাকালীন সময়ে তিনি অবসরে যান। শিক্ষানুরাগীর পাশাপাশি তিনি খুলনা উইমেন্স চেম্বারের সদস্য, বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত সংবাদ পাঠক ও গীতিকার, বেসরকারি এনজিও ব্র্যাকের টেকনিক্যাল ট্রেইনার, প্রপাইটার গ্রীণ হ্যান্ডি ক্যাপ্টস ও স্মার্ট স্কিন কেয়ার, নির্বাহী পরিচালক গ্রীণ নারী কল্যাণ ফাউন্ডেশন, সদস্য জুট ডাইভার ফিকেশন এন্ড প্রমোশন সেন্টার ও খুলনা লেখিকা সংঘ, উই এসএমএসের জেন্ডার এড. এবং জিপি এক্সসেলটর টু পয়েন্ট জিরোর কমিউনিটি বিল্ডার। ২০১৭ সালে খুলনা সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং সর্বশেষ গত ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে জাতীয় পর্যায়ে জয়িতা পদক পেয়েছেন। 

 

১৪ মে, ২০১৯ ০০:৩১:৫৯