খুলনায় ভেড়িবাঁধে ভাঙন ৪ হাজার ৬৪০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
মাওলা বকস, খুলনা
অ+ অ-প্রিন্ট
ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় জেলাগুলোতে পৌঁছায় দুর্বলভাবে। ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে বিশাল জনগোষ্ঠী। এর ভেতর খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের সহস্রাধিক কাঁচাঘর ও গাছপালা ভেঙে কিছু ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ভেড়িবাঁধ ভেঙে ও উপচে লোনা পানিও প্রবেশ করেছে কয়েকটি এলাকায়। স্থানীয়দের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধ মেরামত করায় ব্যাপক প্লাবিত হবার খবর পাওয়া যায়নি। খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানিয়েছেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে খুলনায় ৪ হাজার ৬৪০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ এছাড়া ভেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে জোয়ারের সময় কয়রা ও দাকোপ উপজেলার দু’টি স্থান থেকে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। তিনি বলেন, ঝড়ে খুলনার দু’টি গ্রাম প্লাবিত এবং এক কিলোমিটার ভেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টিনের চাল ভেঙে পড়ে একজন আহত হন। তবে কোথাও কারও প্রাণহানি ঘটেনি। 

জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানান, ঘূর্ণিঝড়ে খুলনায় ৯৯০টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ এবং তিন হাজার ৬৫০টি ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খুলনার ৩২৫টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ও প্রায় ৫০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। স্থানীয় লোকজন জানান, দুপুরে জোয়ারের সময় দাকোপের বানিশান্তা এবং কয়রার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে ও কয়রা সদরে ভেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে নোনা পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে। গত তিনদিনে কয়রা উপজেলায় চার শতাধিক কাঁচা ঘর-বাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতি ও প্রায় ৮ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । 

০৬ মে, ২০১৯ ০০:৩৯:৫৫