কেশবপুরে হরিহর নদীর পাড়ের সরকারি গাছ কেটে আত্মসাতের চেষ্টা
জাহিদ আবেদীন বাবু, কেশবপুর (যশোর)
অ+ অ-প্রিন্ট
যশোরের কেশবপুরে হরিহর নদী খননের খবর এলাকায় রটে যাওয়ায় দু‘পাড়ের জবর দখলকারিদের মধ্যে গাছ কাটার হিড়িক পড়ে গেছে। অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১৫টি রেন্ট্রি গাছ জব্দ করেছে।  জানা গেছে, ২০/২৫ বছর আগে হরিহর নদীর দু‘পাড় দিয়ে রেন্ট্রি, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতীর গাছ লাগানো হয়। স্থানীয়রা দখল শর্তে এসব গাছ ভোগ দখল করে আসছিল। এদিকে, কেশবপুর শহরকে বন্যা মুক্ত করতে হরিহর নদী খননের টেন্ডার হওয়ার খবর এলাকায় রটে গেলে জবর দখলকারিরা ওই সব গাছ নিজেদের দাবি করে কেটে আত্মসাত করতে শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় হরিহর নদীর পূর্ব পাড়ের ঠাকুর পাড়া এলাকায় শতাধিক রেন্ট্রি গাছ রয়েছে। ১৫ দিন আগে রামচন্দ্রপুর এলাকায় এরমধ্য থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১৫টি রেন্ট্রি গাছ জনৈক রতন কেটে আত্মসাত করার চেষ্টা করে। 

জানা গেছে, নদীর পাড়ে ১৫টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। কিছু গাছ ইতোপূর্বে বিক্রি করা হয়েছে। খবর পেয়ে ভুমি অফিসের লোকজন গিয়ে গাছ কাটতে নিষেধ করে আসে। ওই সময় গাছ মারা কিছুদিন বন্ধ থাকে। অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান অদৃশ্য শক্তির দাপটে কোন প্রকার মাপযোগ ছাড়াই পুনরায় ওই গাছ গুলি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে।  

গাছের মালিকানা দাবি করে রতন জানান, হরিহর নদীর পাশে হলেও গাছগুলি আমাদের জমিতে পৈত্রিক সূত্রে রোপণ করা। ভূমি অফিসের অনুমতি নিয়েই গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে।  

এ ব্যাপারে কেশবপুর সদরের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা গোলাম রসুল বলেন, গাছ কাটার খবর পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সরকারি সার্ভেয়ার মাপযোগ করার পর তাদেরকে গাছ কাটতে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানার উপপরিদর্শক মেহেদী বলেন, পুলিশ হেডকোয়াটারের নির্দেশে গত সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়।  

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এনামুল হক বলেন, গাছ কাটার খবর পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এরপরও গাছ কাটলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  

 

 

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:৫১:০৩