সেনবাগে গৃহবধুর লাশ হাসপাতালে রেখে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের পলায়ন
মো. জাহাঙ্গীর আলম, নোয়াখালী
অ+ অ-প্রিন্ট
নোয়াখালীর সেনবাগে জাহেদা খাতুন প্রকাশ মাম্মি (২০) নামের এক গৃহবধুকে হত্যা করে, লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী সোহেল (২৫) ও বাসুর ওয়াসিম সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৭সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার উত্তর রাজারামপুর গ্রামের আবুল হোসেনের বাড়িতে। নিহত গৃহবধু মাম্মির ৪ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

নিহত মাম্মির মা রাহেলা আক্তার জানায়, দীর্ঘদিন থেকে তার মেয়ের জামাই সোহেল যৌতুক দাবী করে আসছিলো। দাবীকৃত যৌতুক না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে তার মেয়েকে মারধর করে এক পর্যায়ে সে সজ্ঞা হারিয়ে পেললে মেয়ের জামাই, ভাসুর সহ ও পরিবারের লোকজন তাকে দাগনভূঞা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এরপর তারা মাম্মির লাশ হাসপাতালে রেখেই তারা পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে মাম্মির মা সহ পরিবারের লোকজন ঘটনার হাসপাতালে গিয়ে লাশ সন্তাক্ত করেন। সেনবাগ থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ দুপুরে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।এঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জানা গেছে,  সেনবাগ উপজেলার ৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের উত্তর রাজারামপুর গ্রামের  আবুল হোসেনের ছেলে সোহেলের সঙ্গে দুই বছর আগে একই উপজেলা ৮নং বীজবাগ ইউনিয়নের  বালিয়াকান্দি গ্রামের ফরাজী বাড়ির সাহাব উদ্দিনের কন্যা জাহেদা খাতুন প্রকাশ মাম্মি (২০) সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী যৌতুক দাবী করে আসছিলো। বুধবার রাতেও  সোহেল মাম্মিকে পিতার বাড়ি থেকে যৌতুক হিসাবে টাকা এনে দিতে বলে। এসে সে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করল সে সজ্ঞা হারিয়ে পেললে তাকে ভোরে দাগনভূঁঞা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এরপর তারা লাশ হাসপাতালে রেখেই পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মাঈন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:২১:১৩