বরগুনায় চেয়ারম্যানকে পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় চোখ তুলে হত্যার অভিযোগে মামলা
বরগুনা প্রতিনিধি
অ+ অ-প্রিন্ট
বরগুনায় এক ইউপি চেয়ারম্যানকে পরকিয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় আল আমীন নামের এক যুবকের চোখ তুলে দেয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আল আমীন মারা যায়। আল আমীন হত্যার অভিযোগে তার মা রাশেদা বেগম বাদী হয়ে চেয়ারম্যানকে আসামী করে বরগুনা থানায় বুধবার একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামী হল বরগুনা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগসহ ১২ জন।

মামলার বাদী জানান, ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগের সঙ্গে একই ইউনিয়নের এক যুবতীর ( নারগিস) সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে পরকিয়া প্রেম চলে আসছে। ওই ইউনিয়নের দক্ষিন হেউলিবুনিয়া গ্রামের ইউনুস মিয়া ও আমার ছেলে আল আমীন পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়। এতে ওই চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগ ও তার দলীয় লোকজন আল আমীনের উপর রুষ্ট হয়ে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে আল আমীনকে রোববার সন্ধ্যায় হেউলিবুনিয়া ব্রীজের দক্ষিন পাশে আসামী মিজানের রিক্সার গ্যারেজে মধ্যে ঢুকিয়ে প্রথমে তার দুচোখে মরিচের গুড়া দেয়। পরে ১২ জন আসামীরা আল আমীনের দুচোখ লোহার রড ও চাকু দিয়ে উপড়ে ফেলে। মুর্মূষ অবস্থায় আল আমীনকে বরিশাল নিয়ে যায়। একদিন পর সোমবার বেলা দুইটায় আল আমীন মারা যায়। মৃত আল আমীনের মা  রাশেদা বেগম বলেন, আমার ছেলেটা সংসারের কাজ করে আমাদের ভরন পোষন দিত। চেয়ারম্যান সোহাগের অবৈধ প্রেমে আল আমীন বাধা দিতে গিয়ে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন নির্মম ভাবে চোখ তুলে হত্যা করে। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাদ মুঠোফোনে বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা। আমার প্রতিপক্ষরা নির্বাচনে হেরে গিয়ে ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস.এম মাসুদুজ জামান বলেন, মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার করার অভিযান চলছে।

 

১৬ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:৫৯:১২