সুন্দরগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত সাঁকো খুলে দিলেন ইউএনও
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা
অ+ অ-প্রিন্ট
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা গ্রামে তিস্তার শাখা নদীর উপর নির্মিত সাড়ে ৩'শ ফুট বাঁশের সাঁকো চলাচলের জন্য খুলে দিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)- এসএম গোলাম কিবরিয়া। 

সাঁকোটি চলতি বর্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর, চিলমারী উপজেলার সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় যোগাযোগের ক্ষেত্র নদীর বুক চিড়ে জেগে ওঠা ৭- ৮টি চরে বসবাসকারী অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ সাঁকো বন্ধনের ফলে এখন থেকে যোগাযোগের সুবিধা পাবেন। এতে তাঁদের দুর্ভোগ, সময় ও খরচ কমবে অনেক।এই পথে জনসাধারণকে বিগত দিনের মতো ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে সাঁকোটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন স্থানীয় সাহসী তরুণ সমাজ। এতে নেতৃত্ব দেন- সুন্দরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাব'র তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক- সংবাদিক, কবি ও তরুণ সমাজ সেবক- শামীম সরকার শাহীন। তাঁর এই মহতী উদ্যোগে সারা দেন- ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক- আনোয়ারুল ইসলাম, রাঙ্গা সরকার, সাকিব সরকার সুজনসহ এলাকার অনেকেই। শ্যামরায়ের পাঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তিস্তার শাখা নদীটি প্রত্যেক বর্ষায় দীর্ঘ দিন ধরে এসব মানুষের যোগাযোগে বিরাট বাঁধা সৃষ্টি করেছিল। সাহসী তরুণদেরকে পূর্ণ উৎসাহিত করেন, সুযোগ্য ইউএনও- এসএম গোলাম কিবরিয়া। চলাচলের জন্য সাঁকোটি উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন, বেলকা ইউপি চেয়ারম্যান- মাওলানা ইব্রাহীম খলিলুল্যাহ্, ইউপি সদস্য- রিয়াজুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক- আনোয়ারুল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ পৌর আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক- জাহাঙ্গীর আলম, জাপা নেতা- আব্দুর রফিক মিয়া, শ্রমিক নেতা ও সমাজ সেবক- আইয়ুব আলী, মোক্তার আলী, রাঙ্গা সরকার প্রমূখ। সাকোঁটি উদ্বোধনের ফলে বাই-সাইকেল, মোটর সাইকেল, ভ্যানগাড়িসহ হালকা যানবাহন, শিক্ষার্থীসহ আশ-পাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় পৌণে এক লাখ মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

 

২২ জুলাই, ২০১৮ ০৯:৫০:২৩