কেশবপুরে ভূগর্ভস্থ বালি উত্তোলন, ভূমি ধসের আশংঙ্কা
জাহিদ আবেদীন বাবু, কেশবপুর (যশোর)
অ+ অ-প্রিন্ট
যশোরের কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের পুকুর, খাল, বিল, নদী ও রাস্তা সংলগ্ন জলাবদ্ধ স্থানের ভ’গর্ভস্থ থেকে ভাবে বালি উত্তোলন করে চলেছে কতিপয় ব্যক্তি। এটি অব্যাহত থাকলে ওই সমস্ত এলাকার বাড়িঘর, ফসলি জমি, গাছপালার ক্ষতিসহ ভূমি ধ্বসের আশংঙ্কা করছেন সচেতন মহল। বছরের পর বছর এ ভাবে বালি উত্তোলন করা হলেও উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সাধারন মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বালি উত্তোলনকারি একাধিক শ্রমিক জানায়, উপজেলার মহিদুল ইসলাম আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গির আলম, আব্দুস সালাম, হযরত আলীসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে প্রায় শতাধিক ব্যক্তি এ কাজের সাথে জড়িত রয়েছে। এই চক্রের মধ্যে এখন টপে থাকা মহিদুল ইসলাম উপজেলার বিভিন্ন  গ্রামে যেয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে দাপটের সহিত অবৈধ ভাবে বালি উত্তোল করে থাকেন। তিনি ৫/৭ বছর ধরে পরিবেশ হুমকির সম্মুখিন হওয়ার মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার ডেজি ২০-২২ ও ৩২ মডেল ২ টি ম্যাশিনসহ বালি উত্তোলন সেট রয়েছে। তা দিয়ে প্রতি দিন ৭/৮ হাজার ফুট পর্যন্ত বালি উত্তোলন করা হয়। উত্তোলনের পর মজুদ করে রাখা বালির মালিকরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নিকট বিক্রিসহ তা পিকআপ, ট্রাক অথবা ইঞ্জিন চালিত বাহন টলি যোগে সেখানে পৌছে দেয়া হয়। এতে গ্রামের অনেক কাঁচা রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। এবছর উক্ত মহিদুল বুড়িভদ্রা নদীর চরে বাজিতপুর গ্রামের সাখাওয়াতের জমিতে পানি থাকা অবস্থায়, যশোর সাগরদাঁড়ি সড়কের ধর্মপুর গ্রাম নামক স্থানের সড়কের পাশ, মির্জাপুর নুরে আলমের পুকুর, কুশলদিয়া কামরুলের পুকুর, শীফলা সায়েমের পানি জমে থাকা ফসলি জমিসহ অনেক স্থান থেকে ৫০ ফুটের কম/বেশি মাটির নীচে পাইপ দিয়ে বালি উত্তোলন করেছেন। বালি উত্তোলনের এসব যন্ত্রপাতি প্রশাসনের লোক জব্দ করার চেষ্টা কুরলেও কৌশলে তারা পার পেয়ে যাচ্ছেন। সঠিক তদন্ত পূর্বক অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় নেয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকার মানুষ। এব্যাপারে মহিদুল ইসলাম বলেন, বালি তুলতে ফুট চুক্তিতে আমার ম্যাশিন ভাড়া দেয়া হয়। তেমন জায়গা হলে আমি নিজেও বালি উত্তোলন করে থাকি। বর্তমানে দেউলি গ্রামে একটি ঘেরে বালি উত্তোলন কাজ চলছে। 

 

১১ মার্চ, ২০১৮ ১০:০১:০০