সেনবাগে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম: নোয়াখালী
অ+ অ-প্রিন্ট
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলর ৩নং ডমুরুয়া’য় পল্লী প্রগতি সহায়ক সমিতির নামে সদস্য সংগ্রহের সময় স্থানীয় এলাকাবাসী জিএম আবদুল আজিজ নামের এক প্রতারককে আটক করে নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে সেনবাগ থানা পুলিশের নিকট সোপার্দ করেছে। আটক ব্যাক্তি বাড়ি সাতক্ষিরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউপির পাতাখালী গ্রামে। সে ওই গ্রামের মৃত  আফসার গাজীর ছেলে।

স্থানীয় লোকজন জানায়,আবদুল আজিজ রোববার তার তিন সহকর্মীকে নিয়ে সেনবাগ উপজেলা ৩নং ডমুরুয়া ইউপির গাজীরহাটের বাবুপুর শ্রীপুর গ্রামের সাধারণ ও নিরিহ মহিলাদের ঋন দেওয়ার কথা বলে সদস্য সংগ্রহ অভিযোনে নামে। একই কায়দায় বিগত একমাস আগে সেনবাগ পৌর শহরের কলেজ রোড়ে দ্বীপ শিখা উন্নয়ন সংস্থা নামে একটি এনজিও’র অফিস খুলে একই কায়দায় ঋন দেবে বল প্রায় কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। নতুন করে আবারো ঋন দিবে বলে সংসদ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এই খবর দ্রুত বিভিন্ন স্থানে পৌছলে প্রতারনার শিকার লোকজন ওই গ্রামের একত্রিত হয়ে জিএম আবদুল আিেজজকে আটক।

 এসময় তার সহকর্মী অপর তিন জন কৌশলে পালিয়ে যায়। এতে স্থানীয় লোকজনের মাঝে সন্দেহ ধানা বাঁধে তারা স্বংদ্ধ প্রতারক চক্র। এরপর প্রতারণার শিকার কয়েকশ লোকজন ওই প্রতারককে সেনবাগ উপজেল নির্বাহী অফিসার শতরুপা তালুকদারের কার্যালয়ে হাজির করে। এরপর নির্বাহী অফিসার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আটক ব্যাক্তিকে সেনবাগ থানা পুলিশের নিকট সোপার্দ করে।

যোগাযোগ করলে সেনবাগ থানার ডিউটি অফিসার বশির আহম্মদ জানান,আটক ব্যাক্তির সহকর্মীদেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় হাজির হবার জন্য বলা হলেও কেউ থানায় আসেনি।

আটক ব্যাক্তি জানায়,তিনি  মাত্রকয়েকদিন আগে ওই সংস্থায় যোগদান করেন।ওই এলাকার জাকির হোসেনের একটি কক্ষ অফিসের জন্য কথাবার্তা ফাইনাল করার জন্য তিনি তার সহকার্মীদেও নিয়ে এলাকায় এসে,গ্রাহকদেও সাথে কথাবার্তা বলা অবস্থায় লোকজন তাকে আটক করেভ তিনি কোন সদস্য নিকট থেকে কোন ধরণের আমানত গ্রহন করেননী বলে জানান। তবে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছে ধারনা করছেন।পল্লী প্রগতি সহায়ক সংস্থার রেজিষ্ট্রেশন নং উল্লেখ করা সি-৫৮৯২২(৯২৮)০৫ইং ।ঠিকানা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে ২৮নং বাড়ি কালন্দী কেরানীগঞ্জ,ঢাকা।

 

 

 

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১১:২২:৩১