বরগুনায় বিয়ের প্রলোভনে যুবতীকে ধর্ষণ, ট্রাইব্যুনালে মামলা!
মাহবুবুল আলম মান্নু ,বরগুনা
অ+ অ-প্রিন্ট
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক বছর অধিক সময় ধরে এক যুবতীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে। থানায় মামলা না নেয়ায় কারণে ওই যুবতী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি ধর্ষন মামলা করেছেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জুলফিকার আলী খান বৃহস্পতিবার মামলাটি আমলে নিয়ে ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার আসামী হল, পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোট বিঘাই গ্রামের আবদুল হাই মাঝির ছেলে বশিরউল আলম সুজন।

মামলার বাদী বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার খাকদান গ্রামের ওই যুবতী বলেন, আসামী বশিরউল আলম সুজন আমার সর্ম্পকে আত্মীয় হয়। সেই সুবাদে ওই আসামী প্র্য়াই আমার বাড়ীতে বেড়াতে আসেন। এক পর্যায়ে আসামীর সঙ্গে আমার ভাল সর্ম্পকের সৃষ্টি হয়। ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারী ওই বশিরউল আলম রাতে আমার বাড়ীতে থাকেন। রাতে আসামী আমাকে এবং আমার পরিবারকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আসামী বশিরউল আলম রাত ১২ টার সময় সংগোপনে আমার শোবার ঘরে ঢুকে প্রথমে আমার শরীরে হাত দেয়। আমি সজাগ হয়ে গেলে আসামী বলে কদিন পর আমাদের বিয়ে হতে যাচ্ছে। আজ হতে আমরা স্বামী স্ত্রী বসবাস করতে পারি। আসামী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই রাতে আমাকে প্রথম ধর্ষন করে। এমনি ভাবে এই বছরের ৫ জানুয়ারী পর্যন্ত ওই আসামী আমাকে বিভিন্ন সময় ধর্ষন করে আসছেন। আমি ৫ জানুয়ারী আসামীকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে তিনি  বিয়ে করতে রাজি হয়নি। বিষয়টি আসামীর অভিভাবকদের কাছে জানালে তারাও কোন গুরুত্ব দেয়নি। বাদী আরো বলেন ১০ জানুয়ারী বুধবার আমতলী থানায় মামলা করতে গেলে থানা মামলা না নিয়ে  ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরার্মশ দিয়েছেন। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদ উল্যাহ বৃহস্পতিবার দুপুরে  বলেন, এ ব্যাপারে আমতলী থানায় কেহ মামলা করতে আসেনি। আপনার মাধ্যমেই প্রথম জানলাম। তবে আদালতের আদেশ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেব। আসামী অন্য জেলায় থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।  

 

 

 

১১ জানুয়ারি, ২০১৮ ২৩:২৭:৫৪